শিল্পের জন্য ফেলে রাখা জমি ফেরাবে সরকার! নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের একাধিক সিদ্ধান্ত
শিল্পায়নে বাংলাই পথ দেখাবে! এমন স্লোগানের কথা শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। এমনকি ইতিমধ্যে শিল্পপতিদের জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরেও শিল্প না তৈরি করে ফেলা রাখা হচ্ছে জমি।
শিল্পের জন্য ফেলে রাখা জমি নিয়ে আরও কড়া নবান্ন! এবার থেকে ফেলে রাখা জমি সাধারণ মানুষকে পাট্টা হিসাবে দিয়ে দেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আজ সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। যেখানে মুখ্যসচিব এবং শিল্প দফতরের একাধিক আধিকারিক উপস্থিত ছিল।
আর সেখানেই শিল্পের জন্যে ফেলা রাখা জমি নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা নবান্নের তরফে জারি করা হচ্ছে বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জারি করা হবে নোটিশ
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি সমীক্ষা চালানো হবে। যেখানে দেখা হবে কারা কারা শিল্পের জন্যে সরকারের কাছ থেকে জমি নিয়েছিলেন। এবং সেখানে শিল্প হয়েছে না সেই জমি ফেলে রাখা হয়েছে তা দেখা হবে ওই সমীক্ষায়। এরপরেই আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নোটিশ ইস্যু করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। যে সমস্ত শিল্পপতিরা শিল্পের জন্যে জমি নিয়েও দিনের পর দিন তা ফেলে রেখেছেন তাঁদের এই নোটিশ পাঠানো হবে বলে খবর। কেন জমি ফেলে রাখা হয়েছে এই সংক্রান্ত তথ্য জানার চেষ্টা করা হবে বলে খবর। আর এরপরেই শিল্পের জন্যে নিয়ে রাখা জমি ফিরিয়ে নেবে সরকার।

পাট্টা হিসাবে দেওয়া হবে
জানা যাচ্ছে ফেলে রাখা জমি পাট্টা হিসাবে দিয়ে দেওয়া হবে। সরকার চাইছে মানুষ ওই জমিতে বসবাস করুক। আজ সোমবার এই বিষয়ে নবান্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ওই বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে সেই জমি যদি বসবাসযোগ্য না হয় তাহলে 'মাটি সৃষ্টি' প্রকল্পে ওই জমি ব্যবহার করা হবে। এমনটাই জানা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

কড়া অবস্থান নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার
শিল্পের জন্যে নেওয়া জমি দিনের পর দিন ফেলে রাখা হচ্ছে। কোনও কিছুই করা হচ্ছে রাজ্যের কাছ থেকে নেওয়া সেই জমিতে। এই বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গত মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় যে শিল্পের জন্যে ফেলে রাখা জমি সরকার ফিরিয়ে নেবে। সেই মতো আজ সোমবার উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হয়। আর সেই বৈঠকেই এবার একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। আগামিদিনে এই বিষয়ে বিধানসভাতে আইন সরকার আনতে পারে বলেও খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্য শিল্প আনতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। একমাত্র লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িয়ে শিল্পপতিদের নানা সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরেও শিল্পে অনীহা! কড়া হচ্ছে সরকার।












Click it and Unblock the Notifications