সাংসদ-বিধায়কদের স্পনসর করছে কর্পোরেট হাউসগুলি! নির্বাচনী বন্ড নিয়ে বিস্ফোরক মহঃ সেলিম
দেশে বেআইনিভাবে কর্পোরেটদের লুটের ব্যবস্থা করেছে। বিনিময়ে টাকা ঢুকেছে অ্যাকাউন্টে। নির্বাচনী বন্ড নিয়ে এদিন এমনটাই প্রতিক্রিয়া সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিমের। এব্যাপারে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের অভিযোগও করেছেন তিনি।
মহঃ সেলিম বলেছেন, সিপিআইএম দুর্নীতির বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে লড়াই করছে। তিনি বলেছেন, কাটমানিকে আইন সম্মত করে দেখা বিজেপি এর নাম দিয়েছিল ইলেক্টোরাল বন্ড। তিনি বলেছেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন খনি, জমি, জঙ্গল, ঝর্না, গাছ লুট করা হচ্ছে। কোনও আইন মানা হচ্ছে না। তবে এব্যাপারে অ্যাকাউন্টে আগে টাকা ঢোকার অভিযোগও তিনি করেছেন।

বিভিন্ন বরাত পাওয়ার জন্য যেমন নির্বাচনী বন্ডে টাকা দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই পোর্ট থেকে এয়ারপোর্ট শিল্পগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার আগে টাকা জমা পড়েছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে। এমনটাই অভিযোগ করেছেন মহঃ সেলিম। তিনি বলেছেন, বামেরা এই আইন সংসদে আনার সময়েই আপত্তি করেছিল।
এদিন সেলিম বলেছেন, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে আসলে কর্পোরেট হাউজগুলো সাংসদ-বিধায়কদের স্পনসর করছে। তিনি বলেছেন, ২০১৯ আর ২০২১-এর নির্বাচনের আগে পরে কলকাতায় এসবিআই-এ সব থেকে বেশি টাকা দিয়েছে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, নির্বাচন না থাকলেও যখন দেউচা-পচামি নিয়ে কথা হয়েছে, সেই সময় কলকাতা থেকে সব থেকে বেশি ইলেক্টোরাল বন্ড বিক্রি হয়েছে। তিনি সুপ্রিম কোর্টের নির্বাচনী বন্ড বাতিল করার আদেশের উল্লেখ করে বলেছেন, সেখানেও বলা হয়েছে কীভাবে মাসল ও মানি পাওয়ারকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
মহঃ সেলিম অভিযোগ করেছেন বাংলায় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হোক কিংবা পঞ্চায়েত নির্বাচন, সব জায়গায় মাসল ও মানি পাওয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, কোনও কোনও জায়গায় গ্লোরিফাই করা হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা দিচ্ছেন। কিন্তু সেই টাকা কার অ্যাকাউন্টে, কোথা থেকে আসছে, সেই প্রশ্ন করেছেন মহঃ সেলিম।
তিনি বলেন, আমরা ইলেকট্রিক বিলের জন্য টাকা জমা দিচ্ছি আর গোয়েঙ্কা পরিবার নামে-বেনামে তৃণমূলের ফান্ডে টাকা ভরে দিচ্ছে। তিনি বলেন, হলদিয়া, আসানসোল, কলকাতা থেকে টাকা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কার টাকা যাচ্ছে। এই টাকা সাধারণ মানুষের, বলেছেন তিনি।
সেলিম বলেন, গোটা বিশ্বে ওষুধ কোম্পানিগুলি সব থেকে বেশি মুনাফা করেছে। ওষুধের দাম সব থেকে বেশি বেড়েছে। আর সেই ওষুধের কোম্পানিগুলি সব থেকে বেশি টাকা নির্বাচনী বন্ডে দিয়েছে, যেখান থেকে বিজেপি উপকৃত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications