Market Price: কালো জাম ৩০০ টাকা কেজি, অম্বুবাচিতে ফলাহারে দামের কোপ
অগ্নিমূল্য বাজার। অম্বুবাচি শুরু হয়ে গিয়েছে। তা র উপরে আবার সামনেই বিপত্তারিনী পুজো। মোটের উপর ফলের দাম যাকে বলে আগুন। একশো কালো জাম বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে। অর্থাৎ ১ কোজি ৩০০ টাকা। আমের দাম কিছুটা কমলেও বাকি ফলের দামও চড়েছে।
কাঁঠালি কলা ২০ টাকায় ৪টে। ডজন ৬০ টাকা। আবার অন্যদিকে তরমুজ ৫০ টাকা থেকে ৬০-৭০ টাকা কেজি হয়ে গিয়েছে। অন্যান্য ফলের দামও চড়তে শুরু করেছে। পাকা পেঁপে, লিচু, আপেল, পেয়ারা কোনও কিছুর দামই কম নেই। বর্ষায় পেয়ারার দামটা কমে। িকন্তু এবার যেন কোনও কিছুর দামই কমছে না।

ফলের সঙ্গে সবজির দামও চড়া। কোনও ভাবেই দাম কমছে না শাক সবজির আলুর দাম তো ২০ থেকে ২২ টাকার নীচে নামছেই না। অথচ মধ্যবিত্তের হেঁসেলে আলু ছাড়া রান্নাই হয়না। সাধারণ আলু সিদ্ধ ভাত খেতেও চিন্তা করতে হচ্ছে। অন্যান্য সবজির দামও চড়েছে। লাউ, পুঁই ডাঁটা থেকে শুরু করে, ভেণ্ডি, ঝিঙে, বেগুন, পটল কোনও কিছুর দাম কমছে না।
তার সঙ্গে বেড়েছে মাছ মাংসের দামও। বর্ষার ইলিশ সমুদ্রে উঠলেও বাজারে কিন্তু দামের কাঁটা নামছে না। এখনও বাজারে ইলিশের দাম ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। নামখানা-কাকদ্বীপে মরশুমের প্রথম ইলিশ এসেছে ঠিকই তবে শহরের বাজারে এখনও তার দাম কমেনি। শহরের বাজারে দাম এখনো সেই ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। ৯০০ টাকার নীেচ দামই কমছে না।
আর শাক-সবজির দাম এবছর আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার কারণ বর্ষার খামখেয়ালি পনা। এবার বর্ষা অসম্ভব দেরিতে এসেছে। তার উপরে তেমন বৃষ্টিও হচ্ছে না। আকাশ জুড়ে মেঘ থাকলেও যে বর্ষার দিনভর বৃষ্টি সেটা দেখা যাচ্ছে না। ফলে বর্ষার চাষে বিপুল ক্ষতি হচ্ছে। এখনও গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েনি বর্ষা। এখনও অনেক রাজ্যেই তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি রয়েছে।
তাপপ্রবাহ এবার দীর্ঘ সময় থাকার কারণে সবজি চাষে ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। ফলন ভাল হতে পারেনি অত্যধিক গরমের কারণে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে এবারে সবজির দাম আরও বাড়বে। সামনেই আবার আসছে উৎসবের মরশুম। অগাস্ট মাস থেকেই গোটা দেশে উৎসবের আমেজ শুরু হয়ে যাবে। গণেশ পুজোর পরেই দুর্গাপুজো দীপাবলি। উৎসবের মরশুমে বাজার দর আরও চড়া হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications