Bardhaman: আদালতে দোষীসাব্যস্ত তৃণমূলের একাধিক, জেলাজুড়ে ছি ছি রব! বর্ধমানে বেজায় অস্বস্তি শাসকদলে
Barddhaman: পুরোনো একটি মারপিটের মামলায় আদালতে দোষীসাব্যস্ত তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রী। পূর্ব বর্ধমানের জেলা রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল। বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল। গ্রেফতার তৃণমূল নেত্রী তথা বর্ধমান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি ওরফে বিডিএ-র চেয়ারম্যান কাকলি গুপ্ত তা। এছাড়াও দোষীসাব্যস্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান-সহ একাধিক।
পুরনো ওই মারপিটের মামলায় বর্ধমান আদালত মোট ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। যার মধ্যে ১৩ জনকে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে সোমবার। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন এবং বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি কাকলি গুপ্ত তা, বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের যুব সভাপতি মানস ভট্টাচার্য এবং রায়ান ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক বাগ ও রায়ান ১ পঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শেখ জামাল-সহ আরও অনেকে।

মামলা শুরু হয় ২০১৭ সালে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান দুই ব্লকের বাসিন্দা সন্ধ্যা পাল বর্ধমান থানায় অভিযোগ করেছিলেন, তার স্বামী দেবু পাল স্থানীয় একটি মন্দিরের তলায় বসেছিলেন। রায়ান ১-র তৎকালীন পঞ্চায়েত সদস্য জীবনকৃষ্ণ পালের বাবা দেবু পাল। আচমকাই একদল মানুষ হামলা চালিয়ে তাঁকে গুরুতরভাবে জখম করে বলে অভিযোগ। বাঁশ, লাঠি, টাঙ্গি দিয়ে হামলা চালানো হয়। তার চোখে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।
ঘটনায় নাম জড়ায় ওই অভিযুক্তদের। ঘটনার ভিত্তিতে ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্ধমান আদালতে ওঠে। অভিযুক্তরা জামিনে মুক্তি পান। সেই থেকেই ট্রায়াল চলছিল। অবশেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ আদালত ১৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। একইসঙ্গে দুজনকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হয়। আদালতের নির্দেশে এই ১৩ জনকে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে সোমবার।
মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানা গেছে। এই মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী হরিদাস মুখোপাধ্যায় জানান, "২০১৭ সালের একটি মারামারির কেস ছিল। সেই কেসে ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনকে কাস্টডি দিয়েছে আদালত। ৩২৬ ও ৩০৭ দুটি ধারা দেওয়া হয়েছে। আরও আছে, তবে এই দুটো মেইন সেকশন।" যদিও গোটা ঘটনায় তীব্র অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের অন্দরে।












Click it and Unblock the Notifications