এসএসকেএম থেকে বেরতেই চোর গরু চোর বলে সম্বোধন অনুব্রতকে! এরপর...
অনুব্রত মন্ডলকে দেখা মাত্র চোর চোর স্লোগান! কেউ বললেন গরু চোর আবার কেউ চোর বলেই স্লোগান দিলেই। বীরভূমের দুর্দোন্ড প্রতাপ অনুব্রত মন্ডলের নাম শুনলেই কার্যত এক ঘাটে জলে খায় বাঘে-গরুতে। আর সেই তাঁকে দেখা মাত্র গরু চোর স্লোগ
অনুব্রত মন্ডলকে দেখা মাত্র চোর চোর স্লোগান! কেউ বললেন গরু চোর আবার কেউ চোর বলেই স্লোগান দিলেই। বীরভূমের দুর্দোন্ড প্রতাপ অনুব্রত মন্ডলের নাম শুনলেই কার্যত এক ঘাটে জলে খায় বাঘে-গরুতে। আর সেই তাঁকে দেখা মাত্র গরু চোর স্লোগান। যা নিয়ে রীতিমত অস্বস্তিতে পড়ে যেতে হয় তৃণমূল নেতাকে।
আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে। পালটা দিয়েছে বিরোধীরাও। তাঁদের দাবি, এটা তো শুরু। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দিয়ে শুরু হয়েছে। আগামদিনে এই ঘটনা আরও ঘটবে বলেও দাবি বিজেপি-সিপিএমের।

ইতিমধ্যে নাম জড়িয়েছে অনুব্রত মন্ডলের
গরু পাচার-কাণ্ডে তদন্ত করছে সিবিআই। আর এই মামলাতে ইতিমধ্যে নাম জড়িয়েছে অনুব্রত মন্ডলের। একাধিকবার জেরাও করা হয়েছে তাঁকে। এই অবস্থায় আজ সোমবার ফের তাঁকে তলব করা হয়। নির্দিষ্ট কিছু তথ্যের ভিত্তিতে ফের অনুব্রত মন্ডলকে জেরা করতে চেয়ে তলব করা হয়। কিন্তু আজ নির্দিষ্ট সময়ে হাজিরা দেওয়া নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। তিনি কি হাজিরা দেবেন? তা নিয়ে প্রশ্নুঠতে থাকে। কিন্তু শেষমেশ হাজিরা না দিয়েই শহর ছাড়লেন অনুব্রত।

হাসপাতালে চোর স্লোগান
সোমবার সিবিআই ডাকলেও সোজা চলে যান এসএসকেএমে। সেখানে চিকিৎসার জন্যে সমস্ত পরিস্থিতি তৈরি থাকলেও অনুব্রত মন্ডলকে ভর্তি প্রয়োজন হয়নি। প্রায় ঘন্টাখানেক একাধিক পরীক্ষার পর মেডিক্যাল বোর্ড জানায়, তাঁকে হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই। এই অবস্থায় প্রায় ঘন্টাখানেক পর হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার মাত্র বেশ কয়েকজন গরু চোর বলে স্লোগান দিতে থাকে। আর তা এড়িয়েই কোনও রকমে নিরাপত্তা কর্মীরা কেষ্টকে গাড়িতে তুলে দেন।

মেজাজ হারান অনুব্রত
হাসপাতাল থেকে ব্র হতেই এমন সম্বোধন! তা বোধহয় কল্পনাতেও ভাবেননি অনুব্রত। গত কয়েকদিন আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুঁড়ে মারা হয়। আর এরপরেই এই ঘটনা। জনমানসে যে ক্ষোভ বাড়ছে তা স্পষ্ট। যদিও সবার সামনে এভাবে 'গরু চোর' বলে চিৎকার করলেও ওই ব্যক্তি একটুও অনুতপ্ত নন ওই ব্যক্তি। কেন তিনি এমন বললেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ওই ব্যক্তি জানান, একজন 'গরু চোর'-এর মতোই শাস্তি হওয়া উচিত অনুব্রত মণ্ডলের। তবে এই ঘটনায় মেজাজ হারান কেষ্টা

বীরভূম ফিরে গিয়েছেন
হাসপাতাল থেকে বেরিয়েই সোজা চলে যান অনুব্রত মন্ডলের বেলেঘাটার বাড়িতে। যদিও মনে করা হয়েছিল সিবিআই অফিসে যেতে পারেন। কিন্তু কলকাতার বাড়িতে কিছুক্ষন কাটিয়েই বীরভূমের বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন অনুব্রত মন্ডল। ফলে আগামীকাল মঙ্গলবারও সিবিআই দফতরে যাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তবে কবে সিবিআই দফতরে যাবেন কেষ্টা? তা নিয়ে জল্পনা রয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications