বিয়ের টাকাও দেবে মমতার সরকার! পঞ্চায়েতের আগে জনমোহিনী বাজেটে বড় চমক
পঞ্চায়েতের আগে ২০১৮-র রাজ্য বাজেটে বড় চমক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার মেয়েদের বিয়ের জন্যও টাকা দেবেন।
কন্যাশ্রী পর আরও একটি চমকপ্রদ প্রকল্প আসতে চলেছে রাজ্যে। পঞ্চায়েতের আগে ২০১৮-র রাজ্য বাজেটে বড় চমক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার মেয়েদের বিয়ের জন্যও টাকা দেবেন। তাঁর এই ঘোষণায় হাসি ফুটতে চলেছে কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা-মায়ের মুখে।

কন্যাশ্রীর পর রাজ্যে আসছে রূপশ্রী। এই নয়া প্রকল্পের আওতায় মিলবে বিয়ের অনুদান। যাঁদের বাৎসরিক আয় দেড় লক্ষ টাকার নিচে, তাঁদের মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার জন্য এককালীন ২৫ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। বিবাহযোগ্যা দরিদ্র পরিবারের মেয়েরাই পাবেন এই টাকা।
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্প বিশ্বের দরবারে সমাদৃত হয়েছে। সেরার শিরোপাও কেড়ে এনেছে বিভিন্ন দেশের ৫৪২টি প্রকল্পকে হারিয়ে। এবার সেই ঢঙেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি প্রকল্প চলে এল রাজ্যে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার গরিব কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়ালেন তাঁর রূপশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে।
রাজ্যের ১৫ হাজারের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৪০ লক্ষেরও বেশি ছাত্রীকে কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রকল্পই পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড ছিনিয়ে এনেছে বিদেশের মঞ্চ থেকে। এখানেই যে থেমে থাকতে চান না মুখ্যমন্ত্রী, তা বোঝালেন এবারের বাজেটে রুপশ্রী চালু করে।
এদিন বাজেটে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র রূপশ্রী প্রকল্পের ঘোষণা করেন। তারপর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কন্যাশ্রীর মতো রূপশ্রীরাও আমাদের গর্ব। তাঁরাই আমাদের লক্ষ্মীশ্রী, তাঁরাই আমাদের গৃহশ্রী। আমরা জানি, অনেক পরিবার অর্থাভাবে মেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়েন। তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই আমাদের সরকার এই প্রকল্প চালু করছে। যাঁদের রোজগার বছরে দেড় লক্ষ টাকার কম, কন্যার বয়স ১৮ তারাই এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। এমনকী যাঁরা কন্যাশ্রী পাচ্ছেন, তাঁরাও রূপশ্রী পাবেন। ওই প্রকল্পের সঙ্গে এই রূপশ্রীর কোনও সম্পর্ক নেই।'
রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য এবার বাজেটে ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। পাশাপাশি কন্যাশ্রী প্রকল্পেও খুশির খবর দিয়েছেন তিনি। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকার ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে আগামী আর্থিক বছরে। আর বার্ষিক বৃত্তির পরিমাণ ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications