এবার নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর! ২০২৬ ভোটে আবারও মমতার প্রধান চ্যালেঞ্জার শুভেন্দু? কী পরিকল্পনা বিজেপির?
বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসন এবং পুলিশে একাধিক বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এই পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে তিনি জ্ঞানেশ কুমারকে ডিয়ার মিস্টার জ্ঞানেশ কুমার বলে করেছেন মমতা। তাঁর অভিযোগ যে, রাজ্য সরকারের সাথে কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই একতরফাভাবে এরকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে প্রশ্ন তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, "মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ সেই সমস্ত আধিকারিককে বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ অথবা প্রশাসনিক গাফিলতির বিষয় সামনে আসেনি। তা সত্ত্বেও এই বদলি কেন করা হয়েছে?"
মুখ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, "সাধারণত এরকম ধরনের পদে নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার তিনজন কর্মকর্তার একটি প্যানেল তৈরি করে এবং সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠায়। তারপর সেখান থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হয়। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া এই বার মানা হয়নি।"
সেই চিঠিতে তিনি সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "নির্বাচনের সময় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কমিশনের অধীনে কাজ করেন, কিন্তু তও এই ধরনের সিদ্ধান্তগুলি সাধারণত রাজ্য সরকারের এতে পরামর্শ করেই নেওয়া হয়ে থাকে।"
এদিকে আবার ধর্মতলায় এক সভা থেকেও মমতা ব্যানার্জী কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনাও করেছেন। তাঁর অভিযোগ যে, "রাজ্যের কোনও মতামত ছাড়াই প্রশাসনে বড় রদবদল হঠাৎ করেই করা হয়েছে।" এই ঘটনায় তিনি কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।












Click it and Unblock the Notifications