একবছরে দ্বিতীয়বার ক্যাবিনেটে রদবদল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

হুগলি জুটমিলের সিইওকে পিটিয়ে মারার ঘটনার আঁচ পড়েছিল রাজ্য সরকারের শ্রম দফতরের উপরও। কারখানায় কর্মবিরতির বিজ্ঞপ্তি টাঙিয়ে দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে প্রায় ২,৩০০ হাজার শ্রমিকের ভবিষ্যৎ। এই ঘটনায় বিরোধিদের চাপের মুখে পড়ে সরকার। এদিন শ্রমমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুকে সরিয়ে মমতার কৃষি দফতরে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত তারই ফল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। (আরও পড়ুন : কারখানায় কাজের সময় নিয়ে বচসা, হুগলির জুটমিলের সিইও-কে পিটিয়ে খুন করল শ্রমিকরা)
সিঙ্গুর আন্দোলনের মধ্যবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এই প্রাক্তন নক্সাল নেতা পূর্ণেন্দু বসু। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শ্রম দফতরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
মমতা ক্যাবিনেটের আর একটি উল্লেকযোগ্য বদল হল ফের মলয় ঘটককে ফিরিয়ে আনা। লোকসভা নির্বাচনে আসানসোলে দোলা সেনের হার নিয়ে তৎকালীন মন্ত্রী তথা আসানসোলের প্রচারের দায়িত্ব থাকা ময়ল ঘটক মুখ্যমন্ত্রীর বিষনজরে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সরে যেতে হয় তাঁকে। এতদিন তাঁর অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের মন্ত্রী অরূপ রায়।
পূর্ণেন্দু বসুকে কৃষি দফতরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল শ্রম দফতর। সেই জায়গাতেই ফিরিয়ে আনা হল বর্ধমানের এই প্রভাবশালী নেতা মলয় ঘটককে।
এর পাশাপাশি দুই নতুন মুখকে সামিল করা হয়েছে ক্যাবিনেটে। এদের মধ্যে একজন হলেন, জ্যোতির্ময় কর। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর কেন্দ্রের বিধায়ক। তিনি হলেন সমবায় মন্ত্রী । আর অন্যজন হলেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূমের রামপুরহাটের বিধায়ক। স্বাস্থ্য (আয়ুষ) দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়ে এসেছেন আশিসবাবু। একই সঙ্গে উচ্চ শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রীও হয়েছেন তিনি। সুব্রত সাহাকে মন্ত্রীত্ব থেকে বাদ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। লোকসভা ভোটের পর থেকে তাঁর কোনও দফতরই ছিল না।
রচপাল সিং, সমবায় ও পরিকল্পনা দফতেরর দায়িত্বে ছিলেন। এবার জ্যোতির্ময় কর সমবায়ের দায়িত্ব পেয়ে যাওয়ায় রচপালের হাতে পড়ে রইল শুধুই পরিকল্পনা দফতর।












Click it and Unblock the Notifications