কথায় কথায় বনধ বরদাস্ত নয়, পাহাড়ে এবার শিল্প আসবে! কথা দিলেন মমতা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পাহাড়বাসী যদি চান, শিল্পপতিদের তিনি বলবেন পাহাড়ে বিনিয়োগ করতে। তাহলে পাহাড়ের যেমন উন্নয়ন হবে, তেমনই কর্মসংস্থানও হবে।
পাহাড়ে বনধের রাজনীতির জেরে পর্যটন শিল্প লাটে উঠেছিল। অশান্ত পাহাড়কে শান্তি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে চাইছেন। সেইসঙ্গে তিনি চান, পাহাড়ে নতুন শিল্প আনতেও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পাহাড়বাসী যদি চান, শিল্পপতিদের তিনি বলবেন পাহাড়ে বিনিয়োগ করতে। তাহলে পাহাড়ের যেমন উন্নয়ন হবে, তেমনই কর্মসংস্থানও হবে।

আট মাস পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ে পা রাখেন। আর পাহাড়ে পা দিয়েই তিনি পাহাড়-উন্নয়নের বার্তা দেন বুধবার। এদিন ম্যালের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়বাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, 'আপনারা কি চান পাহাড়ে শিল্প আসুক। আপনারা কি আমার প্রস্তাবে রাজি। আপনারা যদি রাজি থাকেন, ফিরে গিয়েই শিল্পপতিদের সঙ্গে কথা বলব।'
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমি চেষ্টা করব যাতে মার্চ মাসের মধ্যে পাহাড়ে শিল্প আসে।' মুখ্যমন্ত্রীর এই বিবৃতিতে পাহাড়বাসীর মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। তারা করতালি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে সহমত পোষণও করেছেন। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'এটা তখনই সম্ভব হবে, যদি পাহাড়ে শান্তি রক্ষা হয়। অশান্তি-হিংসা ছড়ালে কোনও শিল্পপতিই পাহাড়ে ঘাঁটি গাড়বে না। পাহাড় যাতে শান্ত থাকে, তা দেখতে হবে পাহাড়বাসীকেই। সেই কারণেই বলছি পাহাড়ের উন্নয়ন এখন পাহাড়বাসীর হাতেই বন্দি। পাহাড়বাসী চাইলেই পাহাড়ের উন্নয়ন হবে।'
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, 'কথায় কথায় পাহাড়ে বনধের রাজনীতি আর বরদাস্ত করা হবে না। আমরা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জিটিএ সঙ্গে কথা বলে পাহাড়ের উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করছি। জিটিএ প্রধান বিনয় তামাং নির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। আমরা যৌথ উদ্যোগ নিশ্চয়ই সেগুলি রূপায়িত করার চেষ্টা করব। পাহাড়ের জন্য সব কিছু দেবে রাজ্য। বিনিময়ে শুধু শান্তিরক্ষার কথা দিতে হবে পাহাড়বাসীকে।'












Click it and Unblock the Notifications