Mamata Banerjee: বিজেপির সুরে টাকা বন্ধের হুঁশিয়ারি মমতার, প্রয়োজনে রাজভবনে ধর্না
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গেল বিজেপির বুলি। এতদিন বিজেপির নেতা ও পক্ষান্তরে সরকারও টাকা বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে এসেছেন। এবার বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে টাকা বন্ধের হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যপালের কথা শুনলে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
শুধু টাকা বন্ধ্যোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ক্ষান্ত নন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, রাজ্যপাল যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নিয়ন্ত্রণ করছেন, তা সমীচিন নয়, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে বাঁচানোর স্বার্থে প্রয়োজনে রাজভবনে ধর্নায় বসবেন তিনি, এমনও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যপালকে বার্তা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির বিরুদ্ধে আর্থিক অবরোধ চলবে বলেও ঘোষণা করে দিলেন কার্যত। তাঁর সাফ কথা, কোনও বিশ্ববিদ্যালয় যদি রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে চলে, তবে তাদের আর্থিক অবরোধ করবে সরকার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণায় রাজভভনের সঙ্গে সংঘাত চরমে পৌঁছে গেল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ইচ্ছামতো উপাচা্র্য নিয়োগ করছেন। তারপর উপাচার্যদের নির্দেশ দিচ্ছেন তিনি। রাজ্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি সাফ জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যই শেষ কথা।
তাঁর এই নিদান আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান বলে সোমবারই অভিযোগ করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর এদিন আর্থিক অবরোধের ঘোষণা করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে চললে রাজ্য আর্থিক অবরোধ করার পাশাপাশ রাজভবনের সামনে ধরনায় বসতে পারেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ধন ধান্য প্রেক্ষাগৃহে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গর্জে ওঠেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্রীরী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্তদ্ধ করিয়ে দেওার চক্রান্ত করছেন রাজ্যপাল। আমরা এই চক্রান্ত মানব না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কী ভাবছেন উনি? মুখ্যমন্ত্রীর থেকেও বড়ো? সে উনি বড়ো হতেই পারেন। আপনি আরও বড়ো হন। কিন্তু রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এরপরই অর্থনৈতিক অবরোধের প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, আমি বলে দিচ্ছি, এই যদি চলতে থাকে, তাহলে অর্থনৈতিক বাধা তৈরি করব। দেখি কে চালায়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যপাল পদাধিকার বলে রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হলে অর্থ বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। কোনও বিশ্ববিদ্যালয় যদি রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে চলতে চায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক বাধা তৈরি করব। দেখব বেতন কে দেয়? রাজ্যে উপাচার্য নিয়োগ নিযে চক্রান্ত চলেছ, তা আমরা মানব না। প্রয়োজনে শিক্ষাব্যবস্থাকে বাঁচাতে রাজভবনের সামনে ধর্না দেব।












Click it and Unblock the Notifications