রাজ্যে হোম ডেলিভারির অনুমতি অপ্রয়োজনীয় দ্রব্যেরও! লকডাউনে ঘোষণা মমতার
অপরিহার্য পণ্য ও জরুরি পরিষেবা ছাড়াও অন্যান্য জিনিসপত্রের হোম ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই কথা জানিয়েছেন।
অপরিহার্য পণ্য ও জরুরি পরিষেবা ছাড়াও অন্যান্য জিনিসপত্রের হোম ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই কথা জানিয়েছেন। তিনি এর সঙ্গে আরও যোগ করেছেন যে, রাজ্য সরকার পর্যায়ক্রমে এবং জোন অনুযায়ী ২১ মে পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞাগুলি শিথিল করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

পণ্য ও পরিষেবার হোম ডেলিভারি
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা নিয়মিত মানুষকে অনুরোধ করছি ঘরে থাকার জন্য। লকডাউনের নিয়ম-কানুন শিথিলকরণের পাশাপাশি পণ্য ও পরিষেবার হোম ডেলিভারি নিয়েও সিদ্ধান্ত জানান তিনি। উল্লেখ্য, দোকানগুলি আবারও চালু করার অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্র কঠোর লকডাউন চাপিয়ে দিতে বলেছে রাজ্যগুলিকে। তাই এই অবস্থায় হোম ডেলিভারি চালু করে একটা রাস্তা খুলে রাখার চেষ্টা করা হল।

কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনা
মমতার অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়ে নির্দেশিকা প্রকাশ করে দিচ্ছে কেন্দ্র। করোনার লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের এই ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা স্বচ্ছতা থাকা উচিত। কিন্তু মোদী সরকার যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেখানে কোনও স্বচ্ছতা থাকছে না।

কখনও লকডাউন, কখনও দোকান খোলার বার্তা
মমতা বলেন, কোনও সিদ্ধান্ত দৃঢ়তার সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে না। একবার বলা হচ্ছে লকডাউন আরও কড়াভাবে হ্যান্ডেল করতে হবে। আবার পরক্ষণে বলছেন দোকান-বাজার খোলা রাখতে হবে নিয়ম মেনে। মুখ্যমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বলেন, লকডাউন মানে লকডাউনই থাকবে, লকডাউন রেখে দোকান-বাজার খুলে রাখা যাবে না।

লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র
যা ইঙ্গিত তাতে আরও লকডাউন বাড়তে চলেছে। কিন্তু লকডাউন বাড়ানোর আগে প্ল্যান করা উচিত, সাধারণ মানুষের কী হবে তা স্থির করা উচিত। তা না হলে আরও অনেকদিন লকডাউন চালালে বিপদ বাড়বে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি ২১ মে পর্যন্ত আমরা জোন ভাগ করে কাজ করব। ৪৯ দিনকে মান্যতা দিয়েই তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন। লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications