ময়দানে নামছেন মমতা, কর্মিসভা থেকে শুরু করে বাড়ি বাড়ি প্রচারে জোর! যাত্রা শুরু বুধেই
ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচার শুরু করেছে। পোস্টার, ব্যানার, হোর্ডিং, দেওয়াল লিখন সর্বত্রই ঘররে মেয়ের আগমন বার্তা।
ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচার শুরু করেছে। পোস্টার, ব্যানার, হোর্ডিং, দেওয়াল লিখন সর্বত্রই ঘরের মেয়ের আগমন বার্তা। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং বুধবার প্রচারে নামছেন। কর্মিসভা দিয়ে প্রচার শুরু হচ্ছে তাঁর।

এদিন দক্ষিণ কলকাতার অহীন্দ্র মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী একটি কর্মিসভায় যোগ দেবেন। সেখানে ব্লক সভাপতি থেকে শুরু করে, ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর, স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মী সবাই উপস্থিত থাকবেন। থাকবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বও। এই কর্মিসভা দিয়ে শুরু হবে মমতার প্রচার যাত্রা। করোনার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছোট মাপের জনসভা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলছেন, করোনার আবহে ভোট হচ্ছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঠিকই, কিন্তু ভোটের প্রচারের নামে ভিড়, জমায়েত করে সংক্রমণ আরও বাড়িয়ে দেওয়া চলবে না। সে জন্য করোনা বিধি মেনে চলতে হবে অক্ষরে। সে জন্য কর্মীদের সতর্ক করেছেন তিনি। মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে দেওয়াল লেখেন। আগের দিন মদন মিত্রও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে দেওয়াল লেখেন।
একুশের নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় ফেরেছেন বাংলায়। তারপর প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারপরই বামেরা তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে। ইতিমধ্যে সিপিএম তিনজন প্রার্থীকে চূড়ান্তও করে ফেলেছে। তিনজনের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়া হবে।
ভবানীপুরে যে তিনজনের একটি তালিকা তৈরি করেছে সিপিএম, সেই তালিকায় থাকা এক আইনজীবীর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তিনি ভবানীপুরেরই বাসিন্দা। সিপিএম প্রার্থী করতে পরে ভবানীপুর নিবাসী আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাসকে। এছাড়াও ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন কলকাতা জেলার ডিওয়াইএফআই সভাপতি কলতান দাশগুপ্ত ও যুব নেতা রাজেন্দ্র প্রসাদের।
বিজেপির তরফে প্রার্থীর নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সূত্রের খবর বঙ্গ বিজেপি ছ-জনের নাম পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। তার মধ্যে থেকেই একজনের নাম চূড়ান্ত হতে পারে। দিল্লি থেকেই ভবানীপুরের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। বুধবারই সেই কাজ সাঙ্গ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
এই অবস্থায় বিরোধীদের মধ্যে যখন গা ছাড়া ভাব, তখনও প্রচারে গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। প্রাচরে কোনওরকম খামিত দিতে তারা নারাজ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি কর্মিসভা করবেন। পদযাত্রায় অংশ নেবেন। জনসভাও করবেন। তবে সবই হবে ছোট আকারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে বাড়িতে জনসংযোগেও বেরোবেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য ভবানীপুর কেন্দ্রটিতে বহু ভাষাভাষী মানুষের বাস। বাংলার পর পঞ্জাবী ও গুজরাটি মানুষের সংখ্যা বেশি।












Click it and Unblock the Notifications