'আরএস ভাইরাসে'র জন্যেই বাংলা জুড়ে নাকি জ্বরের প্রকোপ! দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতার
করোনার থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়বে। আর সেই কারনে চলতি সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরের মধ্যে করোনার থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়বে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আর এই আশঙ্কার মধ্যেই অজানা জ্বরে কাঁপছে বাংলা। উত্তর থেকে দক্ষিণ সর
করোনার থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়বে। আর সেই কারনে চলতি সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরের মধ্যে করোনার থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়বে বলে ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। আর এই আশঙ্কার মধ্যেই অজানা জ্বরে কাঁপছে বাংলা। উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র একই ছবি।
উত্তরবঙ্গের একাধিক হাসপাতালে বহু শিশু এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন।

শুধু তাই নয়, কলকাতাতেও বহু শিশু অজানা জ্বরে আক্রান্ত। সরকারি কিংবা বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে বহু শিশুর চিকিৎসা চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হাওড়া, হুগলি থেকে আসা শিশুরাও জ্বর নিয়ে ভর্তি। এই অবস্থায় উদ্বিগ্ন খোদ স্বাস্থ্য দফতরও।
যদিও এই অবস্থায় কিছুটা হলেও আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
করোনা পরিস্থিতিতে এই অজানা জ্বর ঘিরে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। এই অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার এসএসকেএমে জরুরি বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের নিয়ে প্রায় এক ঘন্টা জরুরি বৈঠক করেন তিনি। সেখানে অজানা এই জ্বর নিয়ে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, মূলত আরএস ভাইরাসের কারনেই এমন প্রকোপ। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও যে গঠন করা হয়েছে সে বিষয়টিকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকরা বৈঠকে জানিয়েছেন বলে খবর।
সূত্রের খবর, এই কমিটির সদস্যেরা জ্বরের কারণ খুঁজে তার চিকিৎসা পদ্ধতি সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রস্তত করছে বলে স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর। তবে জ্বরের কারণ দ্রুত ধরে ফেলার জন্যে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের ধন্যবাদ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি জ্বরের কারণ কী, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার আরও তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, বুধবার ২ জনের মৃত্যু হয়। আরও এক শিশুর মৃত্যু হয় আজ বৃহস্পতিবার সকালে। চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছে মৃত শিশুর পরিবার।
গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শিশুদের অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন করেছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। অন্যদিকে এই বিষয়ে ইতিমধ্যে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।
যদিও অজানা জ্বরে কারনে রাজ্যে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছেন রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা। তাঁর দাবি, শিশুদের মধ্যে থাকা অন্যান্য রোগের কারনে মৃত্যু বলে দাবি। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকে চিঠি লিখে অবিলম্বে বাংলাতে কেন্দ্রীয় টিম পাঠানোর দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, বাংলাতে পরিস্থিতি খারাপ। সেই কারনে দ্রুত এখানে টিম পাঠানোর দাবি বিরোধী দলনেতার।












Click it and Unblock the Notifications