গভীর জঙ্গল থেকে কীভাবে বেঁচে ফিরেছিলেন মমতা, শোনালেন পেঁচা আর সাপের গল্প
সাত বছর আগের ঘটনা। সেদিন বন্যার সময় এলাকা পরিদর্শনে এসে গভীর জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়। বিপদ সংকেত পেলেন তিনি।
সাত বছর আগের ঘটনা। সেদিন বন্যার সময় এলাকা পরিদর্শনে এসে গভীর জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়। বিপদ সংকেত পেলেন তিনি। পেঁচা আর সাপ- এই দুই প্রাণীই সেদিন তাঁকে বাঁচিয়ে ছিল। বিপদ সংকেত পেয়েছিলেন দুই প্রাণীর থেকে। তারপরই বিপদ বুঝে ফিরে এসেছিলেন তিনি।

অতীত অভিজ্ঞতার কথা
সোমবার গোপীবল্লভপুরের সভায় সেদিনের সেই অতীত অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বললেন, 'গোপীবল্লভপুর ও কেশিয়ারিতে আমার আসা নতুন নয়। বছরে পাঁচ-ছ'বার আসি। পঞ্চায়েতে কুৎসা করে এই সব এলাকায় জিতেছে বিজেপি। এবার তারা যোগ্য জবাব পাবে।

নিরাপত্তা ছাড়া গভীর জঙ্গলে
এরপরই তিনি ২০১২ সালের বন্যার সময়কার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ছাড়া গভীর জঙ্গলে ঢুকে পড়েছিলাম। আমার গাড়ি ঢুকে গেছে গভীর জঙ্গলে। বুঝে উঠতে পারছিলাম না কতদূর এসে গিয়েছি। হঠাৎ দেখি, আমার গাড়িতে একটা পেঁচা বসল। সন্দেহ হল। তবু আমল দিলাম না।

পেঁচা আর সাপের বারণ
আমি ভাবলাম, জঙ্গল দিয়ে যাচ্ছি, তাই হয়তো পেঁচা এসে বসেছে। খানিক পরে আরও একটা পেঁচা বসল গাড়িতে। তখনই ভাবলাম এটা কোনও সংকেত। তারপরই দেখি রাস্তাজুড়ে পথ আটকে শুয়ে আছে মস্ত এক সাপ। আর দেরি না করে গাড়ি থামালাম। নির্দেশ দিলাম ফিরে আসার।

বিপদ সংকেত বুঝেই রক্ষা
পেঁচা প্রথমে বিপদ সংকেত দিয়েছিল। তারপর সাপ পথ কেটে দিয়েছিল। তখনই বিপদ সংকেত বুঝে ড্রাইভারকে বলি ফিরে যাওয়ার কথা। তা না হলে জঙ্গলে হয়তো আরও বড় বিপদে পড়তাম।এরপর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি আমরা গভীর জঙ্গলে ঢুকে গিয়েছি। এভাবেই এলাকায় ঘুরেছি, মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। তাই আমার বিশ্বাস, এই এলাকার মানুষ আমাকে নিরাশ করবে না।












Click it and Unblock the Notifications