পরিযায়ীদের নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে! রাজ্যে ফেরা শ্রমিকদের মন জয় করতে পরিসংখ্যান পেশ মমতার
পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরাতে কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তাঁর বিরুদ্ধে শ্রমিক ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অনীহার অভিযোগও তোলা হয় বিরোধীদের তরফে। তবে সেসব অভিযোগ ফের অস্বীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

৮.৫ লক্ষ শ্রমিক ফিরেছে রাজ্য
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জানান যে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত রেল মারফত ৮.৫ লক্ষ শ্রমিক ফিরে এসেছে। ১০ জুনের মধ্যে আরও ২ লক্ষমানুষ রাজ্যে ফিরবে বলে তিনি জানান। এরপর বিরোধীদের তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী।

'পরিযায়ী শ্রমিকদের প্ররোচিত করার চেষ্টা চলছে'
পাশাপাশি তিনি এদিন অভিযোগ করেন, 'পরিযায়ী শ্রমিকদের প্ররোচিত করার চেষ্টা চলছে।' পরিযায়ীদের জন্য রাজ্যের যে খরচ হচ্ছে তার বিস্তারিত মুখ্যমন্ত্রী এদিন তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন পরিযায়ীদের ট্রেনের টিকিট খরচ বাবদ রাজ্য সরকারের এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছেো ২৫ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত পরিযায়ীদের বাড়ি পৌঁছে দিতে ৪০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের ৪৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে
এছাড়াও পরিযায়ী পিছু অ্যাকাউন্টে ১ হাজার টাকা হিসেবে ৪৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন পরিযায়ীদের বাড়ি ফেরার ভাড়া শুধু বাংলাই দিয়েছে। এছাড়াও পরিযায়ীদের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইন-সহ বিভিন্ন খাতে প্রতিদিন প্রায় ৩ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শ্রমিক স্পেশাল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিষোদগার
এর আগে শ্রমিক স্পেশাল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন মমতা। তিনি বলেছিলেন, 'আমার রাজ্যের ভাইবোনরা আসছে আমি খুশি৷ কিন্তু, একটা সিটে ৩-৪ জন আসবে কেন? একটা বদ্ধ জায়গায় যদি ৪৮ ঘণ্টা সবাই একসঙ্গে থাকে, তাহলে কোরোনা হবে না তো কী হবে? তার মধ্যে তারা আসছে হটস্পটগুলি থেকে যেখানে তারা চিকিৎসা পাননি৷

দরকার হলে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ান
তিনি আরও দাবি করেছিলেন, 'দরকার হলে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ান৷ আপনাদেরই সবার আগে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত৷ লোকগুলিকে খাবার বা জলটুকু দিচ্ছেন না৷ শ্রমিক এক্সপ্রেসের নামে আপনারা কি কোরোনা এক্সপ্রেস চালাচ্ছেন? এখন তো ট্রেন চলছেই না, তাই ট্রেনের অভাব নেই৷ বগি সংখ্যা বাড়ান৷ খরচ তো আমরাই দিচ্ছি৷'












Click it and Unblock the Notifications