নতুন বিচারপতির অধীনে সরল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নন্দীগ্রাম মামলা, এই সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) করা নন্দীগ্রাম (nandigram) মামলার শুনানি হবে নতুন বিচারপতি এজলাসে। হাইকোর্টের (calcutta high court) তরফ থেকে এদিন একথা জানানো হয়েছে। এর আগে তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্য
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) করা নন্দীগ্রাম (nandigram) মামলার শুনানি হবে নতুন বিচারপতি এজলাসে। হাইকোর্টের (calcutta high court) তরফ থেকে এদিন একথা জানানো হয়েছে। এর আগে তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে প্রতিবাদ করার বিচারপতি কৌশিক চন্দ (justice kaushik chanda) এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। এদিন এই মামলায় নতুন বিচারপতি নাম ঘোষণা করা হয়। এই সপ্তাহেই নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

জুনের শুরুর দিকে নন্দীগ্রামে গণনায় কারচুপির অভিযোগ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাইকোর্টের তরফে বিচারপতি কৌশিক চন্দকে এই মামলার বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৬ জুন মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে আইনজীবী সঞ্জয় বসু ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের কাছে আবেদন করেছিলেন এজলাস বদল করার জন্য। কিন্তু ১৮ জুন শুনানির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সে কথা তোলেননি বিচারপতি কৌশিক চন্দের কাছে। ১৮ জুন নিয়ম অনুযায়ী মামলাকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে ২৪ জুন হয়ে যায়। ২৩ জুন বিচারপতি কৌশিক চন্দের বিরুদ্ধে বিজেপি যোগের অভিযোগ তুলে এই মামলা থেকে সরে যাওয়ার আবেদন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। যা নিয়ে ২৪ জুন রায়দান স্থগিত করে দেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ।
এরপর গত বুধবার নন্দীগ্রাম মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান বিচারপতি কৌশিক চন্দ। যদিও তিনি বিচার ব্যবস্থাকে কলুষিত করার অভিযোগ করে মামলাকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। বার কাউন্সিলে সেই টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি। বিচারপতি বলেন, একজনের কথামত বিচারপতি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যান না।
এরপর সোমবার হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি করবেন বিচারপতি শম্পা সরকার। এই সপ্তাহেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৯০০-র বেশি ভোটে পরাজিত হন। তারপর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের, ২ মে ভোট গণনার দিন কারচুপি হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications