মমতা হলেন জাতীয় সেরা! করোনার আবহেও সবাইকে হারিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা বাংলার মাথায়
জাতীয় সেরার সম্মান আদায় করে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনার আবহেও নিজের দফতরের দেশের মধ্যে সেরা বলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
জাতীয় সেরার সম্মান আদায় করে নিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনার আবহেও নিজের দফতরের দেশের মধ্যে সেরা বলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির একটি বসেরকারি সংস্থা স্কোচ ফাউন্ডেশনের বিচারে সারা দেশের মধ্যে সেরা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে থাকা একটি দফতর। এবার সর্বোচ্চ পুরস্কার এল বাংলায়।

সেরার সম্মান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের
প্রতি বছরই দিল্লির ওই সংস্থা সেরা ১৪টি দফতরকে বেছে নেয়। একটি প্ল্যাটিনাম, তিনটি সোনা ও ১০টি রূপোর পদক দিয়ে সম্মানিত করে দফতরকে। এবার তাদের বিচারে সেরার সম্মান পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর। তাঁকে প্ল্যাটিনাম পদক দেওয়া হয়েছে। বাংলার জন্য এই সম্মান ছিনিয়ে আনতে পেরে তিনি গর্বিত।

পাবলিক গ্রিভেন্স সিস্টেমের জন্য স্বীকৃতি
দেশের মধ্যে সবথেকে ভালো কাজ করার স্বীকৃতি পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। নাগরিক অভিযোগ নিরসনে শ্রেষ্ঠ সম্মানে ভূষিত হয়েছে রাজ্যের দফতর। মূলত দেশের ভালো প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য রাজ্যগুলিকে স্বীকৃতি দেয় স্কোচ ফাউন্ডেশন। মমতা বন্যো য়পাধ্যায়ের তৈরি পাবলিক গ্রিভেন্স সিস্টেমের জন্য এই স্বীকৃতি পেল বাংলায়।

সাধারণ মানুষের অভিযোগের ৯৫ শতাংশ সমাধান
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পর সাধারণ মানুষ পাবলিক গ্রিভেন্স সিস্টেম তৈরি করেন। সেখানে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের অভিজ্ঞ অফিসাররা। তারপর তা সমাধানও করা হয়। ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের অভিযোগের ৯৫ শতাংশ সমাধান করা হয়েছে।

চার হাজার মনোনয়নের মধ্যে সেরার শিরোপা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি এই পাবলিক গ্রিভেন্স সিস্টেমে মোট অভিযোগ জমা পড়ে ৮ লক্ষ ১০ হাজার। তার মধ্যে সিংহভাগই সমাধান করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য মোট চার হাজার মনোনয়ন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিল মমতার এই দফতর। ২০১৪ সালেও এই সম্মান পেয়েছিল বাংলা ই-গভর্নেন্স সিস্টেমের জন্য।












Click it and Unblock the Notifications