পিকের চাণক্য নীতিতেই কি মমতার দিল্লি সফর? সোনিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতে কোন স্ট্র্যাটেজি সাজাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর
পিকের চাণক্য নীতিতেই কি মমতার দিল্লি সফর? সোনিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতে কোন স্ট্র্যাটেজি সাজাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর
কংগ্রেসের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠকের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের ঘোষণা। দুটির মধ্যে যোগ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। একুশের ভোটে প্রশান্ত কিশোরের চাণক্য নীতিতে বাংলা জয় মমতার। ২০২৪-র লোকসভা ভোট পর্যন্ত প্রশান্ত কিশোরের রণকৌশলেই চলবে তৃণমূল। কাজেই মমতার দিল্লি যাওয়া আর প্রশান্ত কিশোরের তিন গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ সূত্র রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দিল্লি যাচ্ছেন মমতা
আজই অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ কথা যেটা তিনি বলেছেন সেটা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাত। মমতা জানিয়েছেন তিনি দিল্লি সফরে গিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। মমতা সোনিয়া সাক্ষাত নিছক রাজনৈতিক সৌজন্য হতে পারে না। তাছাড়া বাংলা জয়ের পর এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে পা রাখবেন।

নেপথ্যে কী প্রশান্ত কিশোর
হঠাৎ করে মমতার দিল্লি যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রশান্ত কিশোরের চাণক্য নীতি থাকতে পাের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অবিজেপি রাজনৈতিক দল গুলিকে একজোট করার একটি প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। সেকারণেই গত কয়েক দিনে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তিনি। এমনকী কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রশান্ত কিশোর।

সোনিয়ার সঙ্গে বৈঠক
ফের সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার এই বক্তব্যে অন্য রাজনৈতিক সমীকরণ লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এই প্রথম দিল্লি সফরে যাচ্ছেন িতনি। তারপরেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলেছেন তিনি। ২০২৪-র লোকসভা ভোটের সমীকরণ লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

পিকের রণকৌশল
হঠাৎ করে তিন বছর পর তিন গান্ধীর সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক। শোরগোল ফেলে দিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। ২০২৪-র লোকসভা ভোটকে টার্গেট করেই যে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সোনিয়া-রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সেই বৈঠকের পরেই মমতার দিল্লি সফরে যোগ সূত্র রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ অভিষেক তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর সব রাজ্যে তৃণমূলকে শক্তিশালী করার বার্তা দিয়েছেন। ২০২৪-কে টার্গেট করেই যে অভিষেকের এই বার্তা ছিল তাতে কোনও সন্দেহ নেই।












Click it and Unblock the Notifications