রাজীবের দফতরের বিরুদ্ধে তদন্তে অনুমোদন মমতার মন্ত্রিসভার, একুশের আগে বিতর্ক তুঙ্গে
রাজীবের দফতরের বিরুদ্ধে তদন্তে অনুমোদন মমতার মন্ত্রিসভার, একুশের আগে বিতর্ক তুঙ্গে
রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে দুর্নীতির বড়সড় অভিযোগ। অভিযোগ বন সহায়ক পদে নিয়োগে কারসাজি করেছেন তিনি। সেই কারসাজির অভিযোগের পর তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনার পর তদন্তে অনুমোদন দেওয়া হয়।

বন সহায়ক পদে কারসাজির অভিযোগ
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার উত্তরবঙ্গের এক জনসভা থেকে নাম না করেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন। আলিপুরদুয়ারের প্যারাড গ্রাউন্ড থেকে দলত্যাগীদের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বন সহায়ক পদে কারসাজি করা হয়েছে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে যে দায়িত্বে ছিল সে চুরি করে বিজেপিতে চলে গিয়েছে।

মমতা বনাম রাজীব সম্মুখ সমরে
মমতা বলেছিলেন, আমরা রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত করছি। কেউ বঞ্চিত হবেন না। আমাদের সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে মানুষের কথা ভেবেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও পাল্টা জবাব দিয়েছিলেন। তাঁর তির ছিল কালীঘাটের দিকে।

রাজীবের কড়া জবাব মুখ্যমন্ত্রীকে
রাজীব বলেন, বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে তাঁর উপর যখন বীরভূমের এক বড় নেতা চাপ সৃষ্টি করেছিলেন, তা জানিয়েছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে কী বলেছিলেন সে সমস্ত কথা রেকর্ড করা আছে। আর কালীঘাট থেকে বন সহায়ক পদে নিয়োগ নিয়ে তাঁকে কি বার্তা দেওয়া হয়েছিল, তাও তিনি যত্ন করে রেখে দিয়েছেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তদন্তে অনুমোদন
এরপর উত্তেজনার পারদ চড়েছিল। দু-পক্ষের চাপানউোতের চূড়ান্ত রাউন্ডে খেলা পৌঁছল তদন্ত পর্যন্ত। রাজীবের দফতরের কী কী অসঙ্গতি ও দুর্নীতি হয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করল নবান্ন। শুক্রবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তদন্তে অনুমোদন দেওয়া হল। ফলে একুশের ভোটের আগে বিতর্ক জারি রইল বন সহায়ক পদে দুর্নীতি নিয়ে।












Click it and Unblock the Notifications