মোদী-যোগীদের পিছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে মমতার বাংলা, আরও একটি প্রকল্পে দেশসেরা
পানীয় জলপ্রকল্পে দেশের অন্য রাজ্যেকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে বাংলা। ২০২৪-এর মধ্যে তারা সমস্ত পরিবারকে পানীয় জলের আওতায় আনতে চায়। সেই লক্ষ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার ধারে-কাছে কেউ নেই।
পানীয় জলপ্রকল্পে দেশের অন্য রাজ্যেকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে বাংলা। ২০২৪-এর মধ্যে তারা সমস্ত পরিবারকে পানীয় জলের আওতায় আনতে চায়। সেই লক্ষ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার ধারে-কাছে কেউ নেই। এবার আরও একটি জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে দেশ সেররা তকমা পেল তারা। গ্রামীণ আবাস যোজনাতেও এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক উদ্যোগে বাংলায় সমস্ত জনকল্যাণমুখী প্রকল্পই দারুণ চলছে। গ্রামীণ আবাস যোজনার কাজও চলছে দ্রুতগতিতে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে। বাংলা য়ে সত্যিই এগিয়ে তার প্রমাণ মিলেছে আবাস যোজনা মনিটর করার কেন্দ্রীয় সরকারি সফটওয়ারে। কেন্দ্রীয় সরকারের তালিকায় সবার উপরে বাংলা।
কতগুলি গ্রামীণ পরিবারকে আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে এখন পর্যন্ত কতগুলি পরিবারেরর জন্য বাড়ি সম্পূর্ণ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, তার খতিয়ান অনুযায়ী সাজানো হয়েছিল রাজ্যের তালিকা। সেই তালিকায় দেখা যাচ্ছে পশ্চিবঙ্গ সবার উপরে স্থাপ পেয়েছে। কেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী এই সাফল্যের পর বিজেপি রাজ্যের বিরুদ্ধে আর আঙুল তুলতে পারবে না।
কেন্দ্রীয় সরকারের তালিকা অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৩৪,৬৬,৪৩৭টি বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। তার মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২,০৮,৯২১টি বাড়ি সম্পূর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ ৯২.৫২% বাড়ি সম্পূর্ণ করে ফেলেছে মমতার সরকার। এই সংখ্যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজ্য প্রায় পৌনে সাত লক্ষ কম বাড়ি তৈরি করেছে। এই রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত।
এ ব্যাপারে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, কত বাড়ি তৈরি হয়েছে তার রিপোর্ট বাংলা থেকে আসেনি বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সর্বৈব মিথ্যা। অনুমোদিত বাড়িগুলির মধ্যে ২১,৮১৮টি ভূমিহীন পরিবারকেও ভূমি দিয়ে বাড়ির অনুদান দেওয়ার কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর নজরদারিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো মেনে যথাযথভাবে গ্রামীণ মানুষকে তাঁদের গৃহের সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। সর্বাধিক সংখ্যক আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ ও ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে পুরস্কৃতও করেছে। পরবর্তী ২০২০ ও ২০২১ সালেও এই পুরস্কার দেওয়া হলে, তা পশ্চিমবঙ্গই পেত।
এ বিষয়ে উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের আরও ৫৬,৮৬,৪৮৩টি পরিবার গ্রামীণ আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়ার জন্য নথিভুক্তি করেছে। ইতিমধ্যে ৩৮,৯৫,৯৯১টি পরিবারের অনুসন্ধান করা তথ্য কেন্দ্রকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার ২০২১-২২ অর্থবর্ষে এই সংক্রান্ত একটিও বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেয়নি বলে অভিযোগ নবান্নের। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পেই দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে বঙ্গ বিজেপি। সংসদেও তা উত্থাপন করেছে। পাল্টা এই তথ্য তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হল, বাংলা ভালো কাজ করা সত্ত্বেও তাদের অনুমোদন আটেক রাখা হয়েছে ২৪টি রাজ্যকে অনুমোদন দেওয়া হলেও।












Click it and Unblock the Notifications