সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দাঁত ফোটাতে পারল না বাম, কংগ্রেস, আইএসএফ
ঘাড়ের উপর নিশ্বাস ফেলছিল বিজেপি। ভোটের আগে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিয়েও চলছিল টানাপোড়েন। কিন্তু সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক কোনওভাবেই নিরাশ করল না তৃণমূল কংগ্রেসকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই থাকল সংখ্যালঘু মানুষজন।
পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক কোন দিকে যাবে? তাই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় বঙ্গ রাজনীতিতে। এক সময় এই সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের অন্যতম দাবিদার ছিল বাম কংগ্রেস। পরবর্তী কালে সেই ভোট তৃণমূলের দিকে চলে যায়। তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার মসনদে বসে।

হিন্দু ভোটের দৌলতে বিজেপি এগিয়ে আসে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়। রাজ্যে ২০১৯ সালে ২০ টি আসন জয় করেছিল বঙ্গ বিজেপি। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে আবার শুরু হয় সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে চর্চা। বাম কংগ্রেস একসঙ্গে লড়াই করছে। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের কিছুটা তাদের কাছেও যাবে। এ কথা পরিষ্কার ছিল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল থেকে কি ভোটব্যাঙ্ক ফিরিয়ে আনা সম্ভব? সেই প্রশ্ন উঠেছিল।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে আইএসএফ রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়। তাদেরও সামান্য কিছু ভোটব্যাঙ্ক তৈরি হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনে তারাও বেশ কিছু অঞ্চল থেকে লড়াই করে। শেষ পর্যন্ত কত ভোট তারা পায়। সেই নিয়েও জল্পনা চলছিল।
ভোটের সংখ্যা তত্ত্বের নিরিখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট আশাবাদী হওয়ার কথা। কারণ, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় বাম সিপিএমের ভোট আরও কমেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক তাদের কাছেই রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪৫.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ নিজেদের ভোট দুর্গ অটুট রেখেছেন নেত্রী ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যে অন্যান্যদের মোট ভোটের শতাংশ ৩. ৪৫ শতাংশ। তার মধ্যেই আইএসএফের ভোটের শতাংশ রয়েছে। এ কথা পরিষ্কার। দলগতভাবে আইএসএফ তেমন কোনও সুবিধা করতে পারেনি। ভোটের অঙ্ক সে কথাই বলছে। আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক আরও বাড়াবেন? ২০২৬ সালে কতটা শক্তিশালী হবে জোড়া ফুলের ভোটব্যাঙ্ক ? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications