বাংলাকে সমাদৃত করতেই তাঁর বিদেশ যাত্রা! মুকুলের সমালোচনার কড়া জবাব মমতার
তাঁর লন্ডন যাত্রা নিয়ে সমালোচনার জবাব দিয়ে মমতা জানিয়ে দিলেন, ‘বাংলার সম্মান আনতে বিদেশ সফরে গিয়েছিলাম, এবার যাচ্ছি বাংলার সম্মান রাখতে।’
'বিশ্ব যদি বাংলায় আসে, তাহলে কীসের এত আপত্তি। শুধু রাজনীতি করলেই হয় না, ঝান্ডার সঙ্গে মাথাটাও ঠান্ডা রাখতে হয়।' চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চ থেকেও মুকুল-দিলীপদের নাম না করে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর লন্ডন যাত্রা নিয়ে সমালোচনার জবাব এদিন দিলেন কড়া ভাষাতেই। সেইসঙ্গে জানিয়ে দিলেন, 'বাংলার সম্মান আনতে বিদেশ সফরে গিয়েছিলাম, এবার যাচ্ছি বাংলার সম্মান রাখতে।'

শুক্রবার বিজেপির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লন্ডন যাত্রার সমালোচনায় সরব হন মুকুল রায়। তিনি বলেন, 'সপারিষদ লন্ডন যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি যত লোক নিয়ে যাচ্ছেন, জ্যোতি বসুও অত লোক নিয়ে যেতেন না। এত যে বিদেশ যাত্রা, তার কোনও সুলাভ হচ্ছে কি? এখনও একজনও পাতে দেওয়ার মতো শিল্পপতি বাংলায় এলেন না। একটা কপর্দকও বিনিয়োগ হল না।'
তারই পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ঘৃণ্য কুৎসার বিরুদ্ধে সরব হন। তিনি বলেন, 'আমি সচরাচর বিদেশ যাই না। ব্রিটেনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই নিবেদিতা জন্মসার্ধশতবর্ষ পালন হচ্ছে। সেখানে থেকে ডাক এসেছে। শুধু আমাদের উপস্থিতির জন্য উদ্যোক্তারা সময় বদল করেছেন। আর যেখানে জড়িয়ে রয়েছে রামকৃষ্ণ মিশন, বিবেকানন্দ-নিবেদিতা, সেখানে গেলে নিজে গর্ববোধ করব।'
তিনি বলেন, 'বাংলার কন্যাশ্রী গোটা বিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। সেই সম্মান আনতে গিয়েছিলাম। আবার যাচ্ছি বাংলার সম্মান রাখতে। লন্ডনে না গেলে বাংলার অসম্মান হত। সংকীর্ণ রাজনীতি যাঁরা করছে করুক। তাতে কিছু যায় আসে না। আমার কাছে বাংলার সম্মানটাই সবথেক বড় কথা।'
মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রশ্ন ছুড়ে দেন, 'বাংলা যদি বিশ্বের দরবারে উচ্চাসনে বসে, তাহলে এত আপত্তি কেন আপনাদের। বাংলায় উৎসব হলে আপনাদের আপত্তি, আবার লন্ডনে বাংলাকে সম্মানিত করতে গেলেও সমালোচনা। এটা সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়। বাংলায় উৎসব হবেই। ১২ মাসে ১৩ পার্বন বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে। তা রক্ষা করেই আমরা চলব।'












Click it and Unblock the Notifications