দলীয় মুখপত্রের উৎসব সংখ্যা প্রকাশে মমতা-অভিষেক, প্রকাশিত মুখ্যমন্ত্রীর গানের অ্যালবাম দুর্গা অঙ্গন
রীতি মেনে মহালয়ার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র জাগোবাংলার উৎসব সংখ্যা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে বের হলো পুজোয় নতুন গানের অ্যালবাম দুর্গা অঙ্গন।
উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মন্ত্রী, বিধায়করা।

মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন জানান, দুর্গা অঙ্গন অ্যালবামের সব কটি গান লিখে সুর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গান গাইতেও বলেন ইন্দ্রনীল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি লিখে সুর দিতে পারি। তবে শিল্পী নই। গান গাওয়ার জন্য শিল্পীরা রয়েছেন। আমি ছোটবেলায় গাইতাম। গতকালই বলেছি গলায় ব্যথা। তাছাড়া আমি তো গান প্র্যাকটিস করি না। ইন্দ্রনীলরা রেওয়াজ করেন রোজ। এরপর জাগো দুর্গা গানটি ইন্দ্রনীলের সঙ্গে গাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ দুর্গাপুজোর মণ্ডপে গিয়ে পুজোর কথা বলব। এখানে শিল্পীরা এসেছেন গান গাইবার জন্য। সিঙ্গুরের শহিদ পরিবারও এখানে উপস্থিত। রাজ্য সরকার এবার ক্লাবগুলিকে পুজোর জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে দিয়েছে। এবার অনেক বেশি ক্লাব এসেছে। বিদ্যুতে ৮০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞাপন, দমকল সব ফ্রি।
সাংসদ অভিষেক বলেন, সাড়ে চার বছর আগে দলের কাগজ সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক হয়েছে। সীমিত সামর্থ্য ও সীমাবদ্ধ এক্তিয়ারে চেষ্টা করেছি কর্মীদের কাছে যাতে দলের মুখপত্রের দৈনিক সংস্করণ রোজ সকালে পৌঁছে দেওযার। আমাদের ছোটবেলায় পুজো ছিল চারদিনের, সপ্তমী থেকে দশমী। তবে মা মাটি মানুষ সরকার প্রতিষ্ঠার পর প্রচেষ্টা, উদ্যোগ ও তৎপরতায় বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসবের প্রসার যেভাবে ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, তাঁকে ধন্যবাদ। এখন মহালয়া থেকেই মানুষ ঠাকুর দেখতে প্যান্ডেলে যান, আনন্দ উপভোগ করেন। প্রতিটি ক্লাবকে অর্থনৈতিক প্রতিকূল অবস্থাতেও ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে সাহায্য ও সহযোগিতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসবের প্রসার ঘটানোয় তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
অভিষেক আরও বলেন, মহালয়ায় শুভ শক্তির আবির্ভাব ও অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে। মায়ের কাছে প্রার্থনা সকলকে ভালো রাখুন। মায়ের করুণা, কৃপায় মুছে যাক সকল গ্লানি, শোক। মায়ের আশীর্বাদে উদ্ভাসিত হোক মঙ্গলালোক। চারদিক কল্লোলিত হোক সত্যের জয়ধ্বনিতে। জয় হোক বাঙালির, জয় হোক বাংলার। যারা ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ করে বাংলার মাটিকে কলুষিত করতে, অপমানিত করতে চার-পাঁচ বছর আগে বলেছিল বাংলায় দুর্গাপুজো হয় না, সেখানে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজো নিয়ে প্রচেষ্টাকে ইউনেস্কো বিশ্ববন্দিত স্বীকৃতি দিয়েছে। এটা আমাদের বাডতি পাওনা।












Click it and Unblock the Notifications