দলের তারকা বিধায়কদের নিশানা! নিরাপত্তা কমিয়ে মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতকে কোন বার্তা মমতার
দলের তারকা বিধায়কদের নিশানা! নিরাপত্তা কমিয়ে মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতকে কোন বার্তা মমতার
দলের তারকা বিধায়কদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে। মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতর নিরাপত্তা কমাল রাজ্য সরকার। এবার আর কোনও এসকর্ট কার পাবেন না মন্ত্রী। পাবেন না হাউস গার্ডও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কয়েকদি আগে মিমি এবং নুসরত জাহানকে উদ্দেশ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন শ্রীকান্ত মাহাত। তার জেরেই এই ঘটনা বলে দাবি বিজেপির।

মিমি চক্রবর্তী এবং নুসরত জাহানদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত। তিনি বলেছিলেন,'মিমি-নুসরত-জুন মালিয়াদের মত তারকা সাংসদরা লুটে পুটে খাচ্ছে দলকে। সুব্রত বক্সি-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়দের জানিেয়ও কোনও লাভ হয়নি।' সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল শ্রীকান্ত মাহাতর এই বক্তব্য। তারপরেই দলের শীর্ষ নেতারা নড়েচড়ে বসেন। বিষয়টি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল।
তারপরেই তৎপর হন মমতা। দিন দুয়েকের মধ্যেই শ্রীকান্ত মাহাতর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়। মন্ত্রী থাকলেও এবার আর তিনি এসকর্ট গাড়ি পাবেন না। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী আর হোমগার্ডের নিরাপত্তাও পাবেন না। দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলাতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি বিজেপির। যদিও শ্রীকান্ত মাহাত সেকথা মানতে নারাজ। তিিন দাবি করেছেন, দলের সব মন্ত্রীদের নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত িনয়েছে রাজ্য সরকার। ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়া করা হবে।
রাজ্য সরকারের ডিরেক্টোরেট অফ সিকিউরিটির তরফেই নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে এবার থেকে কোনও এসকর্ট কার পাবেন না মন্ত্রী৷ পাবেন না হাউজ গার্ডও৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দলের পক্ষ থেকেও শোকজ করা হয়েছিল শ্রীকান্ত মাহাতকে। এই মন্তব্যের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল। অনুব্রত মণ্ডল এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পরে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে টিএমসি।এরই মাঝে আবার শ্রীকান্ত মাহাতর এই মন্তব্য অস্বস্তি বাড়িয়েছিল শাসক দলের। তাই এবার আর নেতাদের কোনও বেফাঁস মন্তব্যকে রেয়াত করতে দিতে রাজি হচ্ছিলেন মমতা। সেকারণেই এই কড়া পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
একের পর এক বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে অনুূব্রত মণ্ডলে। গরুপাচার কাণ্ডের টাকা দিয়ে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি তৈরি করেছেন কেষ্ট। তাঁর একার নামে রয়েছে ২৪টি সম্পত্তি। এছাড়া মেয়ে এবং স্ত্রীর সঙ্গে মিলিয়ে ২৬টি সম্পত্তির রয়েছে। দেহরক্ষী সায়গলের ৪৫টি সম্পত্তির ডিডে কেষ্টর নাম রয়েছে। অর্থাৎ বকলেমে সেগুলি কেষ্টরই সম্পত্তি। একই ভাবে কেষ্ট ঘণিষ্ঠ বিদ্যুৎ গায়েন এবং কমলকান্তি ঘোষের নামে রয়েছে কয়েক ৬২টি সম্পত্তি। সবের নেপথ্যেই রয়েছেন কেষ্ট। অনুব্রত মণ্ডলের সিএ মণীশ তিওয়ারিকে জেরা করছে সিবিআই। তাঁর বাড়িতে কেষ্টর একাধিক সম্পত্তির হিসেব মিলেছে বলে সূত্রের খবর। সেই সঙ্গে কেষ্টর ঘনিষ্ঠ বোলপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের টিএমসি কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করেছে সিবিআই। তাঁকে জেরা করে একাধিক তথ্যে পেতে শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications