রুখতে হবে জালিয়াতি! ফর্মের জন্য হুড়োহুড়ির মধ্যেই 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এর জন্য নয়া নির্দেশিকা
কোথাও বা টাকা নিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (laxmir bhandar) ফর্ম ফিলআপ আবার কোথাও টাকার বিনিময়ে ফর্ম বিক্রি। এইসব অভিযোগের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ভুয়ো আবেদনপত্র জমা দেওয়ার অভিযোগ। যা নিয়ে জেরবার রাজ্য সরকার। সেই পরিস্থি
কোথাও বা টাকা নিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (laxmir bhandar) ফর্ম ফিলআপ আবার কোথাও টাকার বিনিময়ে ফর্ম বিক্রি। এইসব অভিযোগের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ভুয়ো আবেদনপত্র জমা দেওয়ার অভিযোগ। যা নিয়ে জেরবার রাজ্য সরকার। সেই পরিস্থিতিতে নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে নবান্নের তরফে।

আগে থেকেই সতর্ক রাজ্য
রাজ্যের সব মহিলার জন্য হাত খরচ। তফশিলি জাতি-উপজাতিদের জন্য মাসে হাজার টাকা করে হলেও বাকিদের জন্য মাসে মাসে ৫০০ টাকা। ফলে অনেক সম্ভ্রান্ত ঘরের মহিলারাও এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করছেন। সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে যে জালিয়াতি হতে পারে, তা আঁচ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার জন্য প্রত্যেক ফর্মের জন্য ইউনিক নম্বর চালু করা হয়েছিল। তবুও প্রায় প্রতিদিনই জালিয়াতি কিংবা গণ্ডগোলের খবর সামনে আসছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে।

নবান্নের নতুন নির্দেশিকা
পরিস্থিতি যাতে আর খারাপের দিকে না যায়, তার জন্য নবান্নের তরফে এদিন নতুন করে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যেসব এলাকায় দুয়ারে সরকার বসছে, কিংবা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ক্যাম্প বসছে, সেখানে কোনও পঞ্চায়েত সদস্য কিংবা স্থানীয় কোনও ক্লাব যুক্ত থাকতে পারবে না। এব্যাপারে সাহায্য করতে আশা, অঙ্গনওয়াড়ি এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে কাজে লাগাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এর ফর্ম পূরণের জন্য প্য়োজন পড়লে কন্যাশ্রী, সেল্ফ হেল্প গ্রুপ কিংবা কলেজের ছাত্রীদের কাজে লাগাতে বলেছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পুরো বিষয়টির ওপরে নজরদারির জন্য জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ বিজেপির বিধায়কের
এদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল নবান্নে আদিবাসী উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গার অভিযোগ। জানা গিয়েছে বিজেপি বিধায়ক অভিযোগে বলেছেন, সরকারি প্রকল্পে একাধিক ভুয়ো আবেদন জমা পড়েছে। অভিযোগ পেয়েই মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন, কোথায় এমন কাজ হয়েছে, পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পের জন্য কোথায় ভুয়ো সার্টিফিকেট জমা পড়েছে তা খুঁজে বের করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এব্যাপারে দোষীদের কড়া শাস্তির কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নজর রাখতে জেলাশাসকদের নির্দেশ
ইতিমধ্যেই ফর্ম পূরণ করে দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগে শিলিগুড়ি থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেচে পুলিশ। প্রায় প্রতিদিনই এই ধরনের খবর আসেছে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে হেল্পলাইনে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় টাকা নিয়ে ফর্ম বিক্রি করা হতে পারে। যা নিয়ে সেই সব জায়গার কথা উল্লেখ করে জেলাশাসকদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। পাশাপাশি বলে দেওয়া হয়েছে, একমাত্র নির্দিষ্ট শিবির থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম পাওয়া যাবে, সেখান থেকে নেওয়া ফর্ম সেই শিবিরেই জমা দেওয়া যাবে।












Click it and Unblock the Notifications