সরকারের ত্রাণ তহবিলে টাকা দিন, ভ্যাকসিনেশনের জন্য বণিক সভার সহযোগিতা চাইলেন মমতা
সরকারের ত্রাণ তহবিলে টাকা দিন, ভ্যাকসিনেশনের জন্য বণিক সভার সহযোগিতা চাইলেন মমতা
করোনা টিকা নিয়ে বণিক সভার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনার টিকাকরণের জন্য বণিক সভার কাছে আর্থিক সাহায্য চাইলেন তিনি। সেই টাকা ত্রাণ তহবিলে দিলে সেই টাকা দিয়ে সংশ্লীষ্ট সংস্থার কর্মীদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভ্যাকসিন নিয়ে বৈঠক
রাজ্যে করোনা এখন অনেকটাই িনয়ন্ত্রণে। বণিক সভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন ব্যবসায়িক কাজকর্ম যাতে স্বাভাবিক থাকে সেকারণে পুরোপুরি লকডাউন করা হয়নি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। একাধিক বাজার খোলার সময়সীমা বাড়িেয় দেওয়া হয়েছে। টিকাকরণই এখন প্রাথমিক গুরুত্বের বিষয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

ত্রাণ তহবিলে দান করুন
এখনও সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ রয়েছে। কারখানা গুলিও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা যদি তাঁদের কর্মীদের টিকাকরণ করিয়ে কাজে যোগ দেওয়াতে পারেন তাহলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে। সেকারণে তিনি বলেছেন সরকারের ত্রাণ তহবিলে যদি শিল্পপতিরা টাকা দেন। তাহলে যে সংস্থা টাকা দিল তাঁর কর্মীদেরই সরকার ভ্যাকসিন কিনে টিকাকরণ করাবে। টিকাকরণে কাজটি সরকার নিজেই করিেয় দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে ১.৪ কোটি ভ্যাকসিন রাজ্যে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পর্যটন ও হোটেল শিল্পের সমস্যা
বৈঠকে পর্যটন এবং হোটেল শিল্পের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা কিছু ছাড়ের আবেদন জানিয়েছেন। হোটেল রেস্তরাঁ খোলার অনুমতি চেয়েছেন তাঁরা। তাতে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন বিকেল ৫টা থেকে ৮টা পর্যন্ত হোটেল রেস্তারাঁ খোলা রাখা যেতেই পারে। তবে সেক্ষেত্রে যাঁরা সেসময় হোটেলে কাজ করবেন তাঁদের যেন টিকাকরণ করানো হয় এবং কোভিড ফ্রি হোটেল বা রেস্তোরাঁ ট্যাগিং করে প্রচার চালাতে বলেছেন তিনি। হোটেল ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রেও টিকাকরণ করিয়ে কর্মীদের কাজে লাগানোর কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বাজার স্যানিটাইজেশনে জোর
বাজার গুলির স্যানিটাইজেশনে জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বণিক মহলের পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, শপিং মল গুলি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। তাহলে প্রচুর সংখ্যক মানুষ কর্মহীন হওয়া থেকে বাঁচতে পারে। তাতে প্রথমে গররাজি হলেও মুখ্যমন্ত্রী জানান ২৫ শতাংশ লোকের প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে তাহলে ১৬ তারিখ থেকে শপিং মল খোলার অনুমতি দিতে পারে রাজ্য সরকার।












Click it and Unblock the Notifications