৫ লক্ষ টাকা জরিমানা! হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের পথে মমতা
নন্দীগ্রাম মামলাতে নয়া মোড়! তীব্র সমালোচনার পর হেভিওয়েট এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তবে বিচার ব্যবস্থার উপর মানহানির জন্যে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই জরিমা
নন্দীগ্রাম মামলাতে নয়া মোড়! তীব্র সমালোচনার পর হেভিওয়েট এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তবে বিচার ব্যবস্থার উপর মানহানির জন্যে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই জরিমানা করা হয়েছে। আর এই জরিমানা করা নিয়েও শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক।
তৃণমূলের দাবি, সত্যি বলার কারণে এই পাঁচ লক্ষ টাকা ফাইন করা হল। ইতিমধ্যে এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে আইনি প্রস্তুতি শুরু করেছে শাসকদল তৃণমূল

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি
বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার জন্যে মুখ্যমন্ত্রীকে জরিমানা কলকাতা হাইকোর্টের। আর এই সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে আইনি প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে শাসকদলের আইনজীবী সেল। খুব শিঘ্র সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করতে চলেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রামে ভোট চলাকালীন নির্বাচনী এজেন্ট হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা সেখ সুফিয়ান। আজ বুধবার আদালতে উপস্থিত চিলেন।

মুখ্যমন্ত্রীকে এই ভাবে জরিমানা করা লজ্জাজনক ঘটনা
মামলার শুনানি শেষে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সেখ সুফিয়ান। তাঁর দাবি, এভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে জরিমানা করা যায় না। এই ঘ্টনা লজ্জাজনক ঘটনা। এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি। অন্যদিকে মমতাকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ তথা জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও'ব্রায়েনও। এই নির্দেশের পরেই একের পর এক টুইট করেন সাংসদ। তিনি লেখেন, আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে সত্যি কথা বলার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে হয়। কিন্তু মিথ্যা কথা বলার জন্যে কোনও দাম দিতে হয় না। টুইটের শেষে একটা স্মাইলি দিয়ে ডেরেক লিখেছেণ, মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়!

মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি
নন্দীগ্রাম মামলাতে নয়া মোড়। মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। আজ বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি চন্দের এজলাসে। সেখানে মামলার সঠিক বিচার হওয়া নিয়ে কার্যত প্রশ্ন তোলা হয়। আর এরপরে বিচারপতি এই হেভিওয়েট মামলা ছেড়ে দেন।একই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থা কুলষিত করার জন্যে পাঁচ লক্ষ টাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জরিমানা করেন বিচারপতি চন্দের বেঞ্চ। বিচারপতি চন্দ এই মামলা ছেড়ে দেওয়াতে নিয়ম অনুযায়ী এই মামলা চলে যাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির কাছে।












Click it and Unblock the Notifications