ফের জয় শ্রীরাম স্লোগান! নৈহাটির পথে মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী, দেখুন ভিডিও
ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে জয় শ্রী রাম স্লোগান। আর ফের মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নৈহাটি যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে।
ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে জয় শ্রীরাম স্লোগান। আর তা শুনেই ফের মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নৈহাটি যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে যাঁরা স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁদের চ্যালেঞ্জ করেন। মমতার অভিযোগ, তাঁর গাড়িতে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এদিন একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। প্রত্যেকবার গাড়ি থামিয়ে তেড়ে যান মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে ফের জয় শ্রী রাম স্লোগান
মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি দেখেই ফের জয় শ্রী রাম স্লোগান। এদিন নৈহাটি যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটে। মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে স্লোগান দেওয়ার যুবকদের চ্যালেঞ্জ করেন। এরপর নৈহাটির প্রতিবাদ সভায় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর গাড়িতে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। রাস্তার পাশের দাঁড়িয়ে থাকা যুবকরা তাঁকে গালাগালিও দেয় বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মাসের শুরুতে চন্দ্রকোনাতেও একই ঘটনা
তখন পুরো দমে চলছে ভোটের প্রচার। এইরকম একটি দিনেই প্রচার সেরে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাধাবল্লভপুরে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি দেখেই জয় শ্রী রাম স্লোগান দেন বেশ কয়েকজন যুবক। মুখ্যমন্ত্রীকে গাড়ি থামিয়ে নেমে আসতে দেখেই চম্পট দেয় যুবকরা। এই ঘটনায় কয়েক ঘন্টার মধ্যে তিনজনকে
আটক করেছিল চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ। সেই সময়ও মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন তাঁকে দেখে কটুক্তি করেছে বিজেপির লোকজন।

পাল্টা অমিত শাহের পদক্ষেপ
এই ঘটনার পরেই রাজ্যে অমিত শাহ যে কটি সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। চ্যালেঞ্জও জানিয়েছিলেন তিনি। বারবার জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়েছেন
ভাষণের সময়।

জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়ার খুনের অভিযোগ
জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়া প্রৌঢ়কে খুনের অভিযোগ উঠেছে বৃহস্পতিবার। কেতুগ্রামে এদিন ঘটনাটি ঘটে। মোদীর শপথ নিয়ে উৎসাহী বিজেপি সমর্থকরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
সেই সময়ই জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়া হয়। সেই সময়ই কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রামের বাসিন্দা সুনীল মণ্ডলের ওপর হামলা চালানো হয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। যদিও তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই।












Click it and Unblock the Notifications