ফের জঙ্গলমহলে মমতা! সরকারি অনুষ্ঠানে 'আদিবাসী-ক্ষতে' প্রলেপের চেষ্টা, অভিযোগে সরব বিরোধীরা
ফের জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার চেন্নাই থেকে ফেরার পর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সোজা তিনি চলে যান ঝাড়গ্রামে। আদিবাসী দিবস উপলক্ষে ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা।
ফের জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার চেন্নাই থেকে ফেরার পর কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সোজা তিনি চলে যান ঝাড়গ্রামে। আদিবাসী দিবস উপলক্ষে ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। পঞ্চায়েত ভোটের পর মুখ্যমন্ত্রীর এটাই প্রথম ঝাড়গ্রাম সফর।

বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে সরকারি অনুষ্ঠান। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে আদিবাসী গুণিজন দের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সব জায়গায় বিজেপির কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে তৃণমূল পড়েছিল তার মধ্যে রয়েছে জঙ্গলমহল। সেদিকেই পাখির চোখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আদিবাসী জনগণকে নিজের দলে দিকে ফিরিয়ে আনার তাগিদ। সেই দায়িত্ব নিজেই কাঁধে তুলে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে বিরোধীদের অভিযোগ, আদিবাসী গুণিজন সংবর্ধনা দেওয়ার মাধ্যমে জঙ্গলমহলের মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইজন্য বৃহস্পতিবার আদিবাসীদের মঞ্চ ব্যবহার করে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন সেইদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
এদিনের যেসব আদিবাসী গুণিজনদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে, তাঁদের তালিকায় রয়েছেন, সাঁওতালি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিরবাহা হাঁসদা। যাঁর অপর পরিচয় ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন)-এর প্রতিষ্ঠাতা নরেন হাঁসদা ও চুনিবালা হাঁসদার মেয়ে। উভয়েই বিভিন্ন সময়ে বিনপুর থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে নির্বাচনী যুদ্ধে সফল হতে পারেননি বিরবাহা হাঁসদা। এহেন বিরবাহার ছবি অনুমতি না নিয়েই সরকারের মুক্তিধারা প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরবাহা হাঁসদা। এবার সেই বিরবাহাকে আমন্ত্রণ জানানোয় গুঞ্জন শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও। তবে বিরবাহা জানিয়েছেন, তিনি সরকারি সম্নানের জন্য আমন্ত্রণ পেয়ে খুশি। এটা তার কাছে বড় প্রাপ্তি বলেও জানিয়েছেন এই সাঁওতাল অভিনেত্রী।












Click it and Unblock the Notifications