৫০০ কোটির চেক-ক্যাম্প শ্রমিকদের জন্য, সাহায্যের হাত বাড়ালেন মমতা
নোটবন্দির সময় ভিনরাজ্য ফেরত শ্রমিকদের সাহায্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবারও যদি ভিনরাজ্যে হিংসার জেরে রাজ্যের শ্রমিকরা ফিরে আসেন, তাঁর সরকার সেইসব শ্রমিকদের পাশেও দাঁড়াবে।
নোটবন্দির সময় যাঁরা ভিনরাজ্য থেকে ফিরে এসেছিলেন, তাঁদের সবাইকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ মেনে তা দেওয়াও হয়েছিল। আবারও যদি ভিনরাজ্যে হিংসার জেরে রাজ্যের শ্রমিকরা ফিরে আসেন, তাঁর সরকার সেইসব শ্রমিকদের পাশেও দাঁড়াবে।

পুরুলিয়ার সরকারি জনসভা থেকে দরজা ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে চেক-ক্যাম্প তৈরি করছেন তিনি। এই চেক-ক্যাম্প থেকেই ভিন রাজ্যে কাজ হারানো শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াবে তাঁর সরকার। তিনি বলেন, 'কাজ হারানো শ্রমিকরা ওই টাকায় চা দোকানও করতে পারবে। সেই দোকানকে মূলধন করেই একদিন বড় ব্যবসায় রূপান্তর হতে পারে ওই ছোট্ট উদ্যোগ।'
রাজস্থানে মালদহের যুবককে খুন প্রসঙ্গে এদিন মমতা বলেন, 'কেউ ভয় পাবেন না। রাজ্য সরকার সকলের পাশে থাকবে। কেউ যদি আতঙ্কে ফিরে আসতে চায় এ রাজ্যে, তাকে সমস্ত রকম সাহায্য করবে তাঁর সরকার।' সেইসঙ্গে তিনি জানান, 'ভিনরাজ্যে বাঙালিদের উপর আক্রমণ বরদাস্ত করা হবে না।'
মমতার অভিযোগ, 'বিজেপির কিছু নেতা ভুল ব্যাখ্যা করছে। তাঁরা মনে রাখবেন, আমরা মানব পরিবারের সদস্য। আমরা সবাই এক। পুরুলিয়ার আদিবাসীরা যেমন, আমাদের কাছে রাজস্থানের সংখ্যালঘু ও গুজরাটের দলিতরাও একইরকম। আমাদের কাছে কোনও রকমভেদ নেই। আমরা সবাইকে এক চোখে দেখি। এটাই আমাদের সংস্কৃতি। আমার বিশ্বাস, যাঁরা এ রাজ্যে থাকে তাঁরা সবাই বাংলাকে ঘর বলে মনে করে।'
এ প্রসঙ্গেই মমতা বলেন, 'আমরা কাউকে অবহেলার চোখে দেখি না। এ দেশের প্রতিটা মানুষই আমাদের ঘরের লোক। সবাই আমার ঘরের মা-ভাই-বোন। আমি চাই পুরুলিয়ার ছাত্রছাত্রীরা বিশ্বজয় করুক। আর ওঁরা একদিন বিশ্ববাংলাকে জয় করবে এই আমার বিশ্বাস। স্বনিযুক্তি প্রকল্পের মেয়েরা হাতের কাজ নিয়ে প্যারিস গিয়েছিল। সেখানে বাংলার শিল্পকর্ম তুলে ধরেছে। পুরুলিয়ার আদিবাসীরা যেমন আমাদের গর্বিত করেছে। তেমনই রাজস্থানের মানুষও কীর্তি করলে আমরা গর্বিত বোধ করি। দেশ গর্বিত হয়।'












Click it and Unblock the Notifications