ইন্ডাস্ট্রি শব্দে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন মমতা! শেষে চৈতন্য, সিঙ্গুরে শিল্পের ঘোষণা নিয়ে বিস্ফোরক মুকুল
সিঙ্গুরে (singur) শিল্প নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। এমনটা অভিযোগ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় (mukul roy)। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী এতদিনে বুঝতে পেরেছেন ওই জমি
সিঙ্গুরে (singur) শিল্প নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। এমনটা অভিযোগ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় (mukul roy)। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী এতদিনে বুঝতে পেরেছেন ওই জমিতে চাষ হবে না। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণে সামিল হয়েছেন, সেই সময় আন্দোলনের পাশে থাকা বর্তমানে অপর বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্তও।

শেষে চৈতন্য হয়
সিঙ্গুরের জমিতে যে চাষ হবে না, তা এতদিনে বুঝতে পারলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টিতে শেষে চৈতন্য হওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন একদা তৃণমূলের নম্বর টু মুকুল রায়। তাঁর আরও কটাক্ষ কোনও চৈতন্যই সঠিক সময়ে হয় না।

অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি মানুষ বোঝে না
মুকুল রায় কটাক্ষ করে বলেছেন, সাধাচরণ মানুষ অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি কী তা বোঝে না। তিনি বলেছেন, কোনও কিছুর সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি শব্দটা জুড়ে দিলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা সহজ হয়। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, রাজ্যের নতুন সরকার ভাববে ওই জমিতে কী হবে।

সিঙ্গুর আন্দোলন রাজনৈতিক জীবনে বড় ভুল
সাংবাদিক সম্মেলনে মুকুল রায় বলেছেন, তিনি তিনবছরে আগেই বলেছেন, সিঙ্গুর আন্দোলন তাঁর জীবনের একটা বড় রাজনৈতিক ভুল। তিনি বলেন, তখন যদি তৃণমূল টাটাকে না তাড়াত, তাহলে বাংলা নির্জলা থাকত না। তিনি আরও বলেন, বাংলার বেকার, যুবক-যুবতীদের চাকরি পেতে কোনও সমস্যা হত না।

আক্রমণ সব্যসাচী দত্তেরও
২০০৬ থেকে ২০০৯ সিঙ্গুরের আন্দোলন পর্বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম সঙ্গী ছিলেন বর্তমানে বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত। তিনিও এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, সিঙ্গুরে চপশিল্প ছাড়া কিছুই হবে না। এব্যাপারে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বেকারদের চপ শিল্প করতে বলেছিলেন।

সিঙ্গুরে হবে অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি, বলেছেন মমতা
বৃহস্পতিবার নবান্নে করা সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, সিঙ্গুরে ১১ একর জমিতে অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা হবে। দশ থেকে ত্রিশ কাঠা করে জমি দেওয়া হবে। সেখানে ব্যবসায়ীরা যাতে আগ্রহী হয়, তার জন্য নানা সরকারি সুবিধা থাকবে বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু সিঙ্গুরের নয়, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী, পানাগড় এবং তাজপুর নিয়ে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাজপুরে ৪২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করা হবে। যেখানে সরাসরি ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে।
যদিও সেই দিনই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা নিয়ে আক্রমণ করেছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে বামেরা। লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন, সিঙ্গুরে কোনও অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি পার্ক হবে না। বিষয়টি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যা কথা বলছেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তিনি বলেছিলেন অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রি পার্ক গড়ে তোলার কথা বলে, তিনি সরকার টেকাতে পারবেন না।












Click it and Unblock the Notifications