বঙ্গের ঐতিহ্য দুর্গাপুজো, শিল্পপতিদের পুজো দেখার আমন্ত্রণ মমতার
বঙ্গের ঐতিহ্য দুর্গাপুজো, শিল্পপতিদের পুজো দেখার আমন্ত্রণ মমতার
বাংলার ঐতিহ্য দুর্গাপুজো। তার জন্য একদিকে যেমন সুনাম রয়েছে। ঠিক তেমনই বাংলার ঐতিহ্যও এই দুর্গাপুজো। শিল্প সম্মেলনের মঞ্চ থেকে শিল্পপতিদের বাংলার দুর্গাপুজো দেখাপর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে যে কত মানুষের কর্মসংস্থান হয় সেটা তাঁরা দেখতে পাবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দুর্গাপুজো এবার এলাহি আয়োজনে করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। তিন মাস আগে থেকেই পুজোর তোরজোর শুরু হয়ে যাবে।

দুর্গাপুজো দেখে যান
শিল্প সম্মেলনের শেষদিনে শিল্পপতিদের রাজ্যে দুর্গাপুজো দেখার আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন বাংলার ঐতিহ্য বাংলার দুর্গাপুজো। দেখে যান সকলে। এই দুর্গাপুজো যে কত মানুষের কর্মসংস্থান করে থাকে সেটা দেখা যাবে। চলে আসুন দুর্গাপুজোয় তাহলে দেখতে পাবেন কত উৎসবে বাংলার কর্মসংস্থান কীভাবে হয়। দুর্গাপুজোর উদযাপন দেখার জন্য আহ্বান জানানোর পাশাপাশি শিল্পপতিদের আহ্বান জানানোর মধ্যে বাংলার ভাবমূর্তিকে উজ্বল করে দেখানোর চেষ্টা রয়েছে মমতার।

দুর্গাপুজোর এলাহি আয়োজন
বঙ্গের দুর্গাপুজো এবার বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে এবার তাই একটু আলাদা ভাবেই উদযাপন করা হবে দুর্গাপুজো। আগেই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১ মাস ধরে দুর্গাপুজোর উদযাপন করা হবে এবার বঙ্গে। তার নজরদারি করবেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। করোনার কারণে গত ২ বছর ধরে ভাল করে দুর্গাপুজো করতে পারেিন রাজ্য সরকার। গতবার যদিও একাধিক কিছুতে পুজোর সময় ছাড় ঘোষণা করা হয়েছিল। সেটা এবার আরও বেশি উৎসাহ নিয়ে উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিরোধীদের নিশানা
রাজ্যে শিল্পভাবনা নিয়ে প্রথম দিন থেকেই মমতা সরকারকে নিশানা করে আসছে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার গতকাল বলেছিলেন যে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে সিঙ্গুরে শিল্প হত। এই নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক মহলে। িসঙ্গুরের মানুষ কোনও কিছুই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। দেউচা পাঁচামি নিয়েও সরব হয়েছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী নিজে দেউচা পাঁচামিতে শিল্পস্থাপনের বিরোধিতা করেছেন। এদিকে দেউচা পাঁচামিেত শিল্পস্থাপন করছে বিজেপি ঘনিষ্ঠ আদানি গোষ্ঠিই।

বাংলাই পথ দেখায়
এদিন মুখ্যমন্ত্রী এক কথায় বিরোধীদের কড়া জবাব দিয়ে বলেছেন দুর্যোগ আসে দুর্যোগ কেটে যায়। কিন্তু উন্নয়নের কাজ থেমে থাকে না। বাংলাতেও সেই ভাবেই এগিয়ে চলেছে। এবং বাংলাই পরবর্তীকালে গোটা দেশকে পথ দেখাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বাংলায় যে শিল্প বান্ধব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা প্রমাণ করে দিয়েছে ২ বছর পরে বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনের এই সাফল্য।












Click it and Unblock the Notifications