অভিষেক থেকে সায়নী, একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদে যুবশক্তি, ২০২৪-র কোন ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন মমতা

অভিষেক থেকে সায়নী, একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদে যবশক্তি, ২০২৪-র কোন ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন মমতা

কালীঘাটের বৈঠকে দলকে নতুন করে সাজালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশের ভোটে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই দলকে মজবুত করতে সামনে নিয়ে এলেন যুব শক্তিকে। প্রথমেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে বসানো হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তারপরেই দলে যুব সভাপত্রীর আসন বসানো সায়নী ঘোষকে। পর পর দুটি গুরুত্ব পূর্ণ পদে দুই যুবশক্তিকে বসিয়ে এক প্রকার ভবিষ্যত প্রজন্মকে এগিয়ে দেওয়ার বার্তা দিলেন মমতা। প্রবীণরা পিছন থেকে লড়াই করুন সামনের সারিেত থাক যুবশক্তি এই বার্তাই তিনি সংগঠনকে দিয়েছিলেন। মমতার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় পাশে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। পরে একই গাড়িতে অভিষেকের সঙ্গে কালীঘাট থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় তাঁকে।

অভিষেকই হল মেরুদণ্ড

অভিষেকই হল মেরুদণ্ড

গতকাল থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রচার করতে শুরু করেছিল জননেতা অভিষেক। #PasheAchheAbhishek নাম দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করে তৃণমূল কংগ্রেস। তাতে ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকায় অভিষেকের পরিদর্শনের ছবি দেওয়া হয়েছে। একুশের ভোটে যে মমতা সেনাপতি হয়ে নিরবে কাজ করে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ, যুব সভাপতির পদের সীমা ছাড়িয়ে একুশের ভোট তাঁকে পোক্ত রাজনীতিক করে তুলেছিল। বারবার বিজেপির তাবড় নেতাদের নিশানা হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদী থেকে শাহ, নাড্ডাসকলেই অভিষেককে নিশানা করে ভোটের প্রচারের ময়দান গরম করেছেন। অভিেষক কিন্তু তাতে ভয় পাননি। বিজেপির দুঁদে নেতাদের মোকাবিলায় ডায়মন্ড হারবার থেকে অধিকারী সর্বত্র দাপিয়ে প্রচার চালিয়েছেন। এমনকী ঠাকুরনগরেও সভা করেছেন অভিষের। বিজেপিকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনিও বড় কঠিন ঠাঁই।

 সর্বভারতীয় পদে অভিষের

সর্বভারতীয় পদে অভিষের

আর যুব সভাপতি নয় একুশের ভোটে অভিষেক প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি সর্বভারতীয় স্তরেও দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। সেই সেনাপতিকে এক প্রকার পুরস্কৃত করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। কালীঘাটের বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পদেই একসময় ছিলেন মুকুল রায়। তার পর থেকে সুব্রত বক্সিকে এই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিষেককে সেই পদে বসিয়ে যেন জাতীয় স্তরে তৃণমূলকে এগিয়ে নিয়েযাওয়ার গুরুদায়িত্ব দিলেন মমতা।

 গুরুত্বপূর্ণ পদ সায়নীকে

গুরুত্বপূর্ণ পদ সায়নীকে

আসানসোলে তাঁকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু অগ্নিমিত্রা পলের কাছে অল্প ব্যবধানেই হার স্বীকার করতে হয় সায়নীকে। দল যদিও তাঁর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে। তাই অভিষেকে ছেড়ে যাওয়া পদে সায়নীকেই যোগ্য বলে মনে করেছেন মমতা। তাঁকে সেই পদে বসিয়ে যুব সংগঠনকে আরও মজবুত করার বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। কারণ সায়নীর ব্যক্তিত্ব তাঁকে সেই পদে বসার যোগ্য করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সায়নীকে এই পদে বসিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবস্য অন্য রাজনৈিতক সমীকরণ দেখেছেন। তিনি দলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি করে দিয়ে যেতে চান। সেই পরবর্তী প্রজন্মকে সামনের সারিতে এনে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন তিনি।

যুবশক্তিই ভরসা

যুবশক্তিই ভরসা

একুশের ভোটে দেখা গিয়েছে সব রাজনৈতিক দলই যুবশক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ছিল। বামেরাও যুবনেতাদেই টিকিট দিয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেসও তাই। সেকারণেই প্রবীণদের টিকিট দেওয়া হবে না আগে থেকেই জানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। যার ক্ষোভেইএকাধিক বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। যার মধ্যে ছিলেন শিবপুরের জটু লাহিড়ি থেকে শুরু করে শিলভদ্র দত্ত এমনকী সিঙ্গুরের মাস্টার মশাইও টিকিট না পে.ে দল বদল করেছিলেন। একুশের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরে সাংগঠনির রদবদলে তাই যুবশক্তিকেই এগিয়ে দিয়েছেন তিনি। সায়নীকে যুব সভাপতি পদে বসানোর পাশাপাশি,সায়ন্তিকা, রাজ চক্রবর্তী, ঋতব্রত,বেচারাম মান্নাকে রাজ্য সম্পাদক পদে বসানো হয়েছে। রাজ চক্রবর্তীকে তৃণমূলের কালচারাস সেলের প্রধান করা হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+