রোটেশন পদ্ধতিতে ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে প্রাথমিক স্কুল খোলার ইঙ্গিত মমতার
ইতিমধ্যে অষ্টম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলে গিয়েছে। কড়া কোভিড বিধি মেনে স্কুল চলছে। এই অবস্থায় যদিও মাঠে কিংবা খোলা জায়গাতে পঞ্চম শ্রেণি থেকে স্কুল চলছে। কিন্তু পাকাপাকি ভাবে কবে স্কুল খুলবে তা নিয়ে একটা বিতর্ক রয়েছেই।
ইতিমধ্যে অষ্টম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলে গিয়েছে। কড়া কোভিড বিধি মেনে স্কুল চলছে। এই অবস্থায় যদিও মাঠে কিংবা খোলা জায়গাতে পঞ্চম শ্রেণি থেকে স্কুল চলছে। কিন্তু পাকাপাকি ভাবে কবে স্কুল খুলবে তা নিয়ে একটা বিতর্ক রয়েছেই। এই অবস্থায় রোটেশন পদ্ধতিতে স্কুল খোলার ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে প্রাথমিকেও ক্লাস শুরু হতে পারে বলেও ইঙ্গিত। যা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র এহেন ইঙ্গিতে খুশি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও।
অতিমারিতে রাজ্যের স্কুল শিক্ষার ছবি সুখকর নয়। বুধবার ASER রিপোর্ট প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে সম্প্রতি আমেরিকা থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন অভিজিৎ বিনায়ক। তিনি বলেন, পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়ারা দ্বিতীয় শ্রেণীর অংক করতে পারছে না।
যে পদ্ধতিতে পড়ানো হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের একটা অংশ ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। একবার পিছিয়ে গেলে সেই শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে না। তার ফলে স্কুলছুট বাড়ছে। এই অবস্থায় স্কুল খুলে দেওয়ার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন বলেও জানিয়ে ছিলেন নোবেলজয়ী।
আর এরপরেই আজ বৃহস্পতিবার স্কুল খোলার ইঙ্গিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়। এদিন সরকারের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আর সেখানে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বলেন, বড়দের স্কুল খুলে গিয়েছে। পশ্চম থেকে সপ্তম শ্রেনি খোলা যাওয়াতে ক্লাস হচ্ছে। একদম ছোটদের স্কুল খোলার বিষয়েও ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে। কোভিডটা আরেকটু নিয়ন্ত্রনে হলে বিষয়টি নিয়ে এগোনোর ভাবনা চিন্তা উঠে আসে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়।
তবে আরও একটি ভ্যারিয়েন্ট আসছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তবে সেটি যদি সমস্যার না হয় তাহলে প্রাথমিকেও স্কুল খুলে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন মমতা। তবে এই বিষয়ে স্কুলগুলির সঙ্গেও আলোচনা হবে। প্রয়োজনে রোটেশন পদ্ধতিতে হবে বলেও ইঙ্গিত। মুখমন্ত্রীর কথায়, সোমবার ৫০ শতাংশ পড়ুয়া আসল মঙ্গলবার আবার অর্ধেক। এভাবেই আপাতত স্কুলে খুলে দেওয়ার ইঙ্গিতই শোনা গেল তাঁর কথায়।
এহেন ঘোষণাতে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বারবারই স্কুল খুলে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে একাংশের তরফে। দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে পড়ুয়ারা পিছিয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ। এই অবস্থায় বড়দের স্কুল শুরু হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক সুমন পোদ্দার বলেন, পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয় খুলে কাজের কাজ কিছু হয় না। অতিরিক্ত ভাবে কেউ করতে চাইলে করতেই পারে। তবে প্রাথমিক ভাবে পঞ্চাশ শতাংশ নিয়ে স্কুল খোলা হলেও, দুমাসের মধ্যে সমস্ত কিছু স্বাভাবিক করে দেওয়া উচিৎ বলেও মন্তব্য চিকিৎসকের।












Click it and Unblock the Notifications