২০২১-এর লক্ষে 'আগ্রাসী' বিজেপির মোকাবিলা! পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন দলনেত্রী মমতা নিজেই
পাখির চোখ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন। পুজো মিটতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি (bjp) । অন্যদিকে থেমে নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (mamata banerjee) । সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপির মোকাবিলায় পরিকল্পনাও ছকে ফ
পাখির চোখ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন। পুজো মিটতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি (bjp) । অন্যদিকে থেমে নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (mamata banerjee) । সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপির মোকাবিলায় পরিকল্পনাও ছকে ফেলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আগামী ২২ নভেম্বর থেকে রাজ্যে পরপর ৬০০ সভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সভা হবে ২৯৪ টি কেন্দ্রেই
তৃণমূল সূত্রে খবর সভা করা হবে ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রেই। একদিকে যেমন লিফলেট বিতরণ করা হবে, করা হবে জনসভা। তা ছাড়াও কমিউনিটি রেডিও প্রচারও চালানো হবে। সেখানে তুলে ধরা হবে তৃণমূলের সাফল্যের কথা। শুধু বাংলা ভাষাতেই নয়, নেপালি, সাঁওতালি, তেলেগু, ইংরেজি, হিন্দি এবং রাজবংশীতে। টার্গেট হল রাজ্যের সব মানুষের কাছে পৌঁছনো।

বাংলাকে বিজেপির থেকে বাঁচান
গতমাস থেকেই তৃণমূল বিজেপিকে বিপর্যের তকমা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু করেছে। সেখানে স্লোগান হল, নিজেকে বিজেপির থেকে সুরক্ষিত চিহ্নিত করুন। এবার তাদের নতুন স্লোগান হতে যাচ্ছে বাংলাকে বিজেপির থেকে বাঁচান। এই স্লোগান দিয়ে সভা শুরু করা হচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়ায়। এই জেলাগুলি জঙ্গলমহলের জেলা হিসেবে পরিচিত এবং জেলাগুলিতে আদিবাসীদের সংখ্যাধিক্য। এছাড়াও তফশিলি জাতির মানুষদের বসবাসও রয়েছে এইসব জেলায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এইসব জেলায় ব্যাপাক সাফল্য পেয়েছিল। বাংলায় তফশিলি জাতি ও উপজাতির সংখ্যার নিরিখে হল যথাক্রমে ২৩.৫১ এবং ৫.৮৫ শতাংশ।

সভা শুরু হবে ২২ নভেম্বর থেকে
প্রাথমিকভাবে ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ২ টি করে সভার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তৃণমূলের তরফে। ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সভার কাজ। ২০১১ সালে তৃণমূল ১৮৪ টি আসন দখল করলেও, ২০১৬-তে তারা ২১১ টি আসন দখল করেছিল। পরবর্তী সময়ে বাম ও কংগ্রেস থেকে একাধিক বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন।

ভোটের শতংশের নিরিখে তৃণমূল
২০১১ সালে ৩৯ শতাংশ ভোট পেলেও ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ৪৪.৯ শতাংশ ভোট। মধ্যে ২০১৪-তে তারা পেয়েছিল ৩৯.০৩ শতাংশ ভোট। যদিও ২০১৯-এর নির্বাচনে বিজেপি ৪২ টি আসনের মধ্যে ১৮ টি দখল করেছিল। এবং প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে প্রায় ৪০.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল গেরুয়া শিবির। ২০১৬ সালে যা ছিল ১০.২ শতাংশের মতো।
ভোটের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বামেদের ভোটক্ষয় হয়েছিল ৯.৮৮ শতাংশ। অন্যদিকে ২০১৪ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে তাঁদের ভোটক্ষয়ের পরিমাণ প্রায় ১৬ শতাংশের মতো।
অন্যদিকে কংগ্রেসের ২০১১ থেকে ২০১৬ সালে ৮.৯১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছিল ১২.৩ শতাংশ। কিন্তু ২০১৪ ৯.৬ শতাংশ থেকে তা কমে ২০১৯-এ হয়ে যায় ৫ শতাংশের মতো।












Click it and Unblock the Notifications