মমতা, মুকুলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ বামেদের

ঘটনা কী?
গত মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি নির্বাচনী জনসভায় গিয়েছিলেন মুকুলবাবু। লোকসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেব এবং সন্ধ্যা রায়ের সপক্ষে প্রচার চালান মুকুলবাবু। অভিযোগ, সভা শেষে পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপারকে নিয়ে তিনি বৈঠক করেন। অন্তত এক ঘণ্টা সার্কিট হাউসে তিনি কথা বলেন। এর জেরে অভিযোগ ওঠে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন মুকুল রায়।
অন্যদিকে, ওইদিনই পৈলানের একটি জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি একটি আজগুবি শব্দ। এর জেরে সরকার উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারছে না। পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে পড়ার দায় তিনি চাপিয়ে দেন নির্বাচন কমিশনের ওপর।
এই দুই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুখ খোলে বামফ্রন্ট। গতকাল তারা অভিযোগ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা রবীন দেব বলেন, "আমরা মনে করছি, দু'টো ক্ষেত্রেই আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে।"
কেন এমন ভাবছেন?
রবীনবাবুর ব্যাখ্যা, "গত মঙ্গলবার মেদিনীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই প্রার্থী সন্ধ্যা রায় এবং দেবের সঙ্গে সভা করেন মুকুল রায়। সেই দিনই মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর এ ধরনের বৈঠক করা যায় না। উনি পুলিশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে, পৈলানের সভায় ভোটের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে না বলে মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, তাতেও আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে। তাই আমরা অভিযোগ জানিয়েছি।" তিনি জানান, গত ১২-১৮ মার্চ শাসক দলের নেতা-মন্ত্রী অন্তত ১৬টি ক্ষেত্রে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে।
মুকুল রায়ের পাল্টা প্রতিক্রিয়া, "মিথ্যে বলছে সিপিএম। আমি মন্ত্রী নই। একটি রাজনীতিক দলের সাধারণ সম্পাদক। তাই পুলিশের সঙ্গে দেখা করে দলীয় কর্মীদের তরফে কোনও অভিযোগ করতেই পারি। আমার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। এটা আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের পর্যায়ে পড়ে না।"












Click it and Unblock the Notifications