জ্যোতিপ্রিয় 'হারালেন' ক্ষমতা! ভাঙন মোকাবিলায় বালুর জেলায় পাঁচ পর্যবেক্ষক নিয়োগ মমতার
উত্তর ২৪ পরগনায় একের পর এক রাজনৈতিক পালাবদলে চাপে তৃণমূল জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় একের পর এক রাজনৈতিক পালাবদলে চাপে তৃণমূল জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জেলা সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরানো না হলেও, জেলায় তাঁর ক্ষমতা কার্যত খর্ব করা হল। তৃণমূলের তরফ থেকে জেলার ৫টি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদে করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

৫ কেন্দ্রে ৫ পর্যবেক্ষক
লোকসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার ২ কেন্দ্রে হার। আর লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকে একের পর এক পুরসভা ও পঞ্চায়েতে পালাবদল ঘটছে। একাধিক বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এরই মধ্যে তৃণমূলের তরফে জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ক্ষমতা কার্যত খর্ব করা হল। জেলার ৫ লোকসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব ৫ জনকে দেওয়া হয়েছে। ব্যারাকপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে। দমদমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বরাহনগরের বিধায়ক তাপস রায়কে। বসিরহাটের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিধান নগরের বিধায়ক সুজিত বসুকে। বারাসতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষকে।
আর বনগাঁর দায়িত্ব পেয়েছেন বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস।

বিজেপির মোকাবিলায় নদিয়া-বাঁকুড়ায় একই পদ্ধতি
উত্তর ২৪ পরগনাতেই এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা হল তা নয়, এর আগে নদিয়া ও বাঁকুড়াতেও ক্ষমতার বিকেন্দ্রিকরণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নদিয়ায় গৌরীশঙ্কর দত্তকে সভাপতির পদে রেখে রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যথাক্রমে শঙ্কর সিং এবং মহুয়া মৈত্রকে। অন্যদিকে বাঁকুড়ায় বাঁকুড়া লোকসভা এবং বিষ্ণুপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দেবাশিস সামন্ত এবং শ্যামল সাঁতরাকে।

পার্থ ভৌমিককে 'অবজ্ঞা'
সূত্রের খবর অনুযায়ী, তৃণমূলের তরফে নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে ভাটপাড়া সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা সামলে উঠতে পারেননি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে জেলায় তৃণমূলের দায়িত্ববন্টন প্রক্রিয়ায় কোথাও নাম নেই পার্থ ভৌমিকের।












Click it and Unblock the Notifications