রাজ্যের কৃষকদের সাহায্য করতে পরিকল্পনা! এবার ইসরোর সঙ্গে গাঁটছড়া মমতার সরকারের
রাজ্যের কৃষকদের সাহায্য করতে পরিকল্পনা! এবার ইসরোর সঙ্গে গাঁটছড়া মমতার সরকারের
কৃষকদের সাহায্য করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবার ইসরো তথা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সাহায্যপ্রার্থী। বলা ভাল তাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে চুক্তিও হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে কৃষকদের শস্যবিমার আবেদন প্রক্রিয়াকে দ্রুত করার জন্য ইসরোর সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাংলা শস্যবিমা যোজনা
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্ট হয়ে গেলে , কৃষকদের আর্থিক সমস্যা থেকে রেহাই দিতে রাজ্যে চালু রয়েছে রাজ্য সরকারের বাংলা শস্যবিমা যোজনা। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্য সরকারই কৃষকদের প্রিমিয়াম প্রদান করে। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা, জমির মালিক ও ভাগচাষী সবাই শস্য বিমার সুবিধা পেয়ে থাকেন। এর জন্য সুবিধাভোগীকে কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতির সঠিক প্রমাণ ও জমির দলিল সহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয়।

প্রক্রিয়া দ্রুত করতেই ইসরোর সাহায্য
প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য রাজ্য সরকার কৃষকদের যে ক্ষতিপূরণ দেয়, তা অনেকটাই মন্থরগতিতে হয়। ধাপে ধাপে এই কাজ করা হয়। কৃষকদের কাছে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করা, তালিকা তৈরি করে স্ক্রুটিনি করা, ক্ষতির পরিমাণ টাকার অঙ্কে নির্ধারণ করার মতো বিষয় রয়েছে এই সব ধাপে। লোকবলের পাশাপাশি সময়ও লাগে। সেই প্রক্রিয়াকে দ্রুত করার জন্য ইসরোর তথ্য সংগ্রহের প্রযুক্তি কাজে লাগাবে রাজ্য সরকার।

ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে
আম্ফানে ক্ষতিপূরণের টাকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। যা নিয়ে অভিযোগ উঠলেও, ৫ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে টাকা। পাশাপাশি প্রায় ২৩ লক্ষ কৃষক তাঁদের শস্যের ক্ষতিপূরণের অর্থ পেয়ে গিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে তাড়াতাড়ি টাকা তুলে দেওয়ার চেষ্টা
রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে তাড়াতাড়ি টাকা পৌঁছে দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইসরোর উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কৃষকের কী পরিমাণ ফসল নষ্ট হয়েছে, তার তথ্য পৌঁছে যাবে বিমা সংস্থাগুলির কাছে। ফলে ক্ষতিপূরণের টাকা পাওয়ার অপেক্ষাও কমে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications