তপন কান্দু হত্যা মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য সরকার! সিবিআই নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ
স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ssc) বিরুদ্ধে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের মতোই ঝালদার কংগ্রেস (congress) কাউন্সিলর তপন কান্দু (tapan kandu) হত্যার মামলার ক্ষেত্রেই কলকাতা (calcutta) হাইকোর্টের (high court) দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ডিভ
স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ssc) বিরুদ্ধে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের মতোই ঝালদার কংগ্রেস (congress) কাউন্সিলর তপন কান্দু (tapan kandu) হত্যার মামলার ক্ষেত্রেই কলকাতা (calcutta) হাইকোর্টের (high court) দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) সরকার। ঘটনার সিবিআই (cbi) তদন্তদের বিরোধিতা করেই এই আবেদন জানানো হয়েছে। এদিনই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণের সম্ভাবনা।

তপন কান্দু হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্ত
পুরুলিয়ার এসপি বলেছিলেন ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের পিছনে রয়েছে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, যা কোনওভাবেই রাজনৈতিক নয়। অসন্তুষ্ট তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু হাইকোর্টে ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার এই মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এই নির্দেশ দিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা বলেন, অভিযোগকারী এবং মানুষের মনে আস্থা ফেরাতেই এই নির্দেশ। তিনি ৪৫ দিনের মধ্যে সিবিআইকে তদন্ত শেষ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন।

বুধবার তদন্ত শুরু করে সিবিআই
এদিকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরে বুধবার ঝালদা থানায় পৌঁছয় সিবিআই। সিবিআই-এর আধিকারিকরা রাতে ঝালদা থানায় পৌঁছে কেস ডায়েরি এবং অন্য সব নথির হেফাজত নেন। সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন রাজ্য সরকারের সিটের নেতৃত্বে থাকা এসডিপিও অরুণাভ দাসের সঙ্গে। এছাড়াও এই মামলায় নতুন করে একটি এফআইআরও দায়ের করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই মামলার তদন্ত পুরোদমে শুরু করার কথা সিবিআই-এর।
অন্যদিকে বুধবার ভোরে তপন কান্দু হত্যা মামলায় অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় দেহের ময়নাতদন্তের পরে তা নিয়ে মৌন মিছিল করেন। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ওপর মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে নিরঞ্জন বৈষ্ণবের পরিবার। সেই কারণেই আত্মহত্যা বলেই দাবি তাঁদের।

তপন কান্দুর স্ত্রীর অভিযোগ
তপন কান্দুর হত্যার পরে একাধিক অডিও টেপ প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এগুলির সত্যতা যাচাই করেন বেঙ্গলি ওয়ান ইন্ডিয়া। এইসব টেপগুলির কোনওটায় ঝালদার আইসিকে তপন কান্দুর সঙ্গে কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। আবার কোনওটায় তপন কান্দুকে তৃণমূলের যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। একটি টেপের অপর প্রান্তে থাকা তৃণমূল নেতা অমল কান্দু কথোপকথনের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের সামনে।

রাজ্য সরকারের আবেদন ডিভিশন বেঞ্চে
এদিকে তপন কান্দুর হত্যা মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছে রাজ্য সরকার। এদিনই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণের সম্ভাবনা। দ্রুত শুনানির জন্য আবেদন করার সম্ভাবনা। এদিকে রাজ্য সরকারের এই অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু। তিনি বলেছেন, কাউকে আড়াল করতেই রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, রামপুরহাট কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা না করলেও এক্ষেত্রে কেন তা করা হচ্ছে?












Click it and Unblock the Notifications