নন্দিনীকে নিয়ে রাজভবন-নবান্ন টানাপোড়েন! রাজভবনে কোন বার্তা পাঠাল রাজ্য সরকার
নন্দিনী চক্রবর্তীকে রাজভবন থেকে সরাতে নারাজ রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই তাঁর রাজভবনের এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে
রাতারাতি প্রায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সচিব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে নন্দিনী চক্রবর্তীকে। এই নিয়ে আবার রাজভবনের সঙ্গে নবান্নের নতুন সংঘাত তৈরি হয়েছে। রাজভবন চাইলেও নন্দিনী চক্রবর্তীকে এখনই পদ থেকে সরাতে নারাজ নবান্ন। এই নিয়ে মতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। আর এই টানাপোড়েনে জল্পনা বাড়াচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর একের পর এক মন্তব্য-টুইট।

নন্দিনীকে সরাতে নারাজ নবান্ন
রাজভবন চাইলেও নবান্ন চাইছে না রাজ্যপালের সচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে ফেলতে। এই নিয়ে রাজভবনের সঙ্গে নবান্নের নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। রাজভবন নন্দিনী চক্রবর্তীকে সচিব পদ থেকে অব্যহতি দিতে চাইলেও নবান্ন কিন্তু এখনই তাঁকে সরাতে নারাজ। আইন অনুযায়ী রাজ্যপালের সচিব কে হবেন সেটা ঠিক করে নবান্ন। কিন্তু গতকাল থেকে জল্পনা তৈরি হয়েছে নন্দিনী চক্রবর্তীকে নিয়ে তাতে আরও পারদ চড়িয়েছে নবান্ন। নবান্নের তরফে নন্দিনী চক্রবর্তীর জায়গায় এখনই কাউকে রাজ্যপালের সচিব পদে পাঠানো হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে।

দিল্লিতে রাজ্যপাল
এদিকে গতকাল থেকে রাজ্যপালের সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরানোর জল্পনার মাঝেই রাতারাতি দিল্লি উড়ে গিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। দিল্লিতে বঙ্গভবনে রয়েছেন তিনি। সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে আজ অমিত শাহের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্য সরকারের স্তূতির কারণেই কি এই শাহি তলব এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি সেই আবার ধনখড়ের পথেই হাঁটতে শুরু করবেন রাজ্যপাল। এই নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক পারা চড়ছে রাজ্য রাজনীতিতে।

শুভেন্দুর নিশানা
গত কয়েকদিন ধরেই শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে রাজ্যপালকে নিয়ে সরব হয়েছিলেন। বিধানসভায় রাজ্যপাল গদি ছাড়ো বলে স্লোগান তুলেছিলেন তিনি। এমনকী রাজ্যপালের সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে রাজ্য সরকারের দূত বলে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। প্রাকাশ্যে তিনি অভিযোগ করেছিলেন আমলা নন্দিনী চক্রবর্তী রাজ্য সরকারে হয়ে রাজ্যপালের কাছে তদ্বির করছে আর সেই পথেই হাঁটছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। অর্থাৎ রাজ্য সরকারকে নিয়ে রাজ্যপালকে একপ্রকার সম্মোহিত করে রেখেন নন্দিনী চক্রবর্তী প্রকাশ্যে এমনই অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা।

রাজ্য সরকারের প্রশংসা
রাজ্য সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন রাজ্যপাল। শপথ নেওয়ার পর থেকে বাজেট অধিবেশনে রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণ পাঠ করা সবটাই করেছেন তিনি। সরস্বতী পুজোর দিন রাজভবনে হাতে খড়ি অনুষ্ঠান করে রাজ্য সরকারের তুমুল প্রশংসা করেছিলেন। সেটা আর সহ্য হয়নি বিজেপির। তারপরেই সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপরেই বিজেপি নেতারা রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরেই শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেছিলেন ট্র্যাকে ফিরছেন রাজ্যপাল।












Click it and Unblock the Notifications