উন্নয়নে ঢিলেমি বরদাস্ত নয়, পঞ্চায়েতের আগে মন্ত্রী-আমলাদেরও কড়া বার্তা মমতার
উন্নয়নের প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করবেন না তিনি। এমনকী উন্নয়নমূলক কাজে ঢিলেমি দেখলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবেন না মুখ্যমন্ত্রী।
প্রশাসনিক সভা থেকে সরকারি আধিকারিক ও মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদদের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিলেন, পঞ্চায়েত ভোট দোরগোড়ায়। তার আগেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করতে হবে। উন্নয়নের প্রশ্নে কাউকে রেয়াত করবেন না তিনি। এমনকী উন্নয়নমূলক কাজে ঢিলেমি দেখলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবেন না মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের সরকারি সভা হয় বারাসতে। সেই সভায় মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের পাশাপাশি বাড়তি নজর দিতে বলেন সীমান্ত সমস্যা সমাধানে। বাড়তি নজরদারির মাধ্যমে সীমান্ত-সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দেন। সভায় উপস্থিত সাংসদ-বিধায়কদের সতর্ক করে তিনি বলেন, আপনারা আরও বেশি করে নজর দিন। আর এলাকার বাসিন্দারা সরকারি প্রকল্পের সুফল পাচ্ছেন কি না, তাও লক্ষ্য রাখুন।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে সমস্ত জেলায় প্রশাসনিক সভার পাশাপাশি সরকারি জনসভার মাধ্যমে পরিষেবা তুলে দিতে বদ্ধপরিকর মুখ্যমন্ত্রী। সেই লক্ষ্যেই তিনি অবিশ্রান্তভাবে এক জেলা থেকে এক জেলায় ছুটে চলেছে। ইতিমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের ঝাড়গ্রাম থেকে শুরু করে বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক সভা সেরে ফেলেছেন। তারপর উত্তরবঙ্গেও মালদহ থেকে শুরু করে দুই দিনাজপুরে প্রশাসনিক বৈঠক ও সরকারি জনসভা করা হয়ে গিয়েছে।
এদিন উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করছেন তিনি। এরই মধ্যে গিয়েছিলেন পাহাড়ে। আবার স্থির হয়েছে তিনি পুরুলিয়ায় যাবেন। পঞ্চায়েতের আগে তিনি একাই চযে ফেলছেন গোটা রাজ্য। বিজেপিকে সূচাগ্র মেদিনীও তিনি ছাড়ছেন না। একক দক্ষতায় তিনি প্রতিটি জেলায় সভা করে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন।
রাজ্যে নিম্নমানের চাল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গেও তিনি কড়া অবস্থান জারি করেছেন। জানিয়ে দিয়েছেন এসব অনিয়ম বরদাস্ত করবেন না তিনি। এদিন প্রশাসনিক জনসভা থেকে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। একশো দিনের কাজ, কিষাণমান্ডি ও কন্যাশ্রী প্রকল্পের কাজে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। রাস্তাঘাট, পানীয় জল প্রকল্পের উন্নয়ন নিয়েও তিনি পঞ্চায়েত দফতরের কাজে সন্তুষ্ট। এদিন এই মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী যাত্রা উৎসবের সূচনা করেন। দোল উৎসবের জন্য রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।












Click it and Unblock the Notifications