সাত দিনের মধ্যে দল ছাড়ুন, বীজপুরে ‘গদ্দার’দের বার্তা দিয়ে সঙ্ঘবদ্ধতার টিপস মমতার
লোকসভা ভোটের পর বীজপুর থেকেই ভাঙনের সূত্রপাত হয়েছিল। মুকুল-পুত্র তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় পিসির দব ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বাবার দল বিজেপিতে।
লোকসভা ভোটের পর বীজপুর থেকেই ভাঙনের সূত্রপাত হয়েছিল। মুকুল-পুত্র তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় পিসির দব ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বাবার দল বিজেপিতে। তারপর একে একে এলাকার পুরসভাগুলিতে কর্তৃত্ব কায়েম করার চেষ্টা করেছে বিজেপি। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বীজপুর থেকেই দলকে সংঘবদ্ধ করার পদক্ষেপ শুরু করে দিলেন।

সাতদিনের মধ্যে দল ছাড়ুন
বীজপুরের সভা থেকে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, যাঁরা দল ছাড়ার তাঁরা সাতদিনের মধ্যে দল ছেড়ে দিন। আমরা সেইসব সুবিধাভোগীদের দলে চাই না। বাংলায় যারা বিভাজনের রাজনীতি করছে, যে সমস্ত গদ্দাররা তাঁদের হাত শক্ত করছেন, তারা চলে যেতে পারেন। এদিন এই সভা থেকে নাম না করে মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায়, অর্জুন সিংদের ফের গদ্দার বলে তোপ দাগেন।

বাংলাকে গুজরাট বানাতে দেব না
এদিন তিনি বিজেপিকে সন্ত্রাসী, মৌল উগ্রপন্থী, অর্ধসত্যি ও উন্মত্ত সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী বলে তোপ দাগেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন, বাংলায় থাকলে বাংলায় কথা বলতে হবে। বাংলায় থেকে বাঙালিকে ভয় দেখাবো চলবে না। বাংলায় গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। আমরা কোনওভাবেই বাংলাকে গুজরাট বানাতে দেব না।

বাংলায় শান্তি ফেরাতে পথে মমতা
এদিন বাংলায় শান্তি ফেরাতে ফের পথে নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। কয়েকজন গদ্দার তাঁদের এই কাজে সাহায্য করছেন। বাংলার মানুষ তাঁদের ছেড়ে কথা বলবে না। নাম না করেই তৃণমূলের এক প্রাক্তনের বিরুদ্ধে তিনি হুঙ্কার ছাড়েন, ছিলেন তো রেলের সাধারণ কন্ট্রাক্টর। এখন সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড যাওয়া হয় কেন আমি বুঝি না। আমি সব বুঝি।

সিপিএম নিজেকে নিজেই সাইনবোর্ড করেছে
এদিন মমতা অভিযোগ করেন, সিপিএম নিজেকে নিজেই সাইনবোর্ড করে দিয়েছে। কী করে সিপিএমের ভোট বিজেপিতে যায়। নিজেদের ভোট বিজেপিকে দিয়েছে সিপিএম। বিজেপি টাকা ছড়িয়ে রাজ্য তথা দেশের সর্বনাশ করছে। ওদের হাতে অনেক টাকা। খাতার কাগজের থেকেও বেশি টাকা রয়েছে বিজেপির কাছে। তার সঙ্গে জাত-ধর্মের ভিত্তিতে ভোট ভাগাভাগি করছে। হিংসায় মদত দিচ্ছে।

গালাগালি যত বাড়বে, সিট তত বাড়বে
মমতা বলেন, তৃণমূল কখনও সাইনবোর্ড হবে না। ভোটের এখনও দু-বছর বাকি। তৃণমূল কংগ্রেস ঠিক ঘুরে দাঁড়াবে। বাংলার মানুষ এই হিংসার বিরুদ্ধে, দলাদলি, খুনোখুনির বিরুদ্ধে রায় দেবেন। মমতা বলেন, আমরাও পাল্টা দিতে পারি। কিন্ত চাই না। এই গালাগালি ওরা যত বাড়াবে, আমাদের সিট তত বাড়বে।












Click it and Unblock the Notifications