তৃণমূলের নন্দীগ্রাম দিবস পালন, হাজরাকাটায় সভা! টুইট বার্তা মমতার
তৃণমূলের নন্দীগ্রাম দিবস পালন, হাজরাকাটায় সভা! টুইট বার্তা মমতার
তৃণমূল কংগ্রেস (trinamool congress) এদিন নন্দীগ্রাম (nandigram)দিবস পালন করছে। এদিন সকালে যা নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সারা বিশ্বে রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারানোদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

হাজরাকাটায় সভা তৃণমূলের
ঘাসফুল শিবিরের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গোকুলনগরের পাল্টা সভা করবে তৃণমূল। তা হবে নন্দীগ্রামের হাজরাকাটায়। বিকেল তিনটেই সেই সভার কাজ শুরু হবে। সেই সভার দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে অধিকারী পরিবারের বিরোধী গোষ্ঠী বলে পরিচিত অখিল গিরি, সুপ্রকাশ গিরি এবং শেখ সুফিয়ান। শেখ সুফিয়ান বলেছেন, প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জমায়েত হবে এদিনের সভায়। প্রধান বক্তা হিসেবে থেকবেন ফিরহাদ হাকিম। এছাড়াও রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুও থাকবেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, একাধিক সাংসদ, বিধায়ক এবং মন্ত্রী থাকবেন এই সভায়।

শুভেন্দুর সভায় নজর রাখছে দল
নন্দীগ্রামের হাজরাকাটার সভার প্রধান বক্তা ফিরহাদ জানিয়েছেন, শুভেন্দুর ব্যাপারে তিনি জানেন না। দল নজর রাখছে। তিনি দাবি করেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলে আন্দোলন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন। তাই তৃণমূল সভা করছে। এখানে আলাদা করে কারও কোনও অস্তিত্ব নেই। কেননা সবাই তৃণমূল করে। গোকুলনগরে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে হওয়া সভায় এদিন শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও হাজির হয়েছিলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। এছাড়াও ছিলেন একাধিক বিধায়ক।

মুখ্যমন্ত্রীর টুইট বার্তা
এদিন সকালে করা টুইটে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আজ নন্দীগ্রাম দিবস। নতুন সূর্যোদয়ের নামে মানুষের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণের ১৩ বছর পূর্তি হচ্ছে এদিন। সঙ্গে তিনি সারা বিশ্বে রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ হারানো প্রতিটি মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।য তিনি বলেন, দিনেরপ শেষে শান্তির জয় হবে। এই আশা তিনি রাখেন।

নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাস
নন্দীগ্রামে সেজ গঠন করতে আলোচনা শুরু করেছিল তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। যদিও তাতে বাধ সাধে তৎকালীন বিরোধী তৃণমূল। মাওবাদীদের সাহায্য নেওয়া হয়। ২০০৭ সালের ৫ জানুয়ারি গঠন করা হয়েছিল ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। দীর্ঘদিন অবরুদ্ধ হয়ে থাকে নন্দীগ্রাম। সেই অবরোধ তুলতে পুলিশ পাঠায় তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ সশস্ত্র পুলিশ সেখানে গুলি চালালে ১৪ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একজনের কোনও পরিচয় পাওয়া যায়নি। পরে নন্দীগ্রামের গুলি চালনার তদন্তে সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর সেখানে অপর এক সংঘর্ষ হয়। বামেদের তরফে যার নাম দেওয়া হয়েছিল নতুন সূর্যোদয়। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির যাঁদের গ্রাম ছাড়া করেছিল তাঁরা ফিরতেই নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়।












Click it and Unblock the Notifications