লোকসভা ভোট মিটতেই সরকারি কর্মচারীদের সুখবর, বেতন-ডিএ নিয়ে বার্তা মমতার
লোকসভা ভোটের পর পর্যালোচনা বৈঠকে অবশ্য সামাজিক প্রকল্প বজায় রেখে সরকারি কর্মীদের বেতন ও ডিএ নিয়ে ভাবনা শুরু করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
লোকসভা ভোটে এবার রাজ্য সরকারি কর্মীদেরও ভোট গিয়েছে শাসক দলের বিপক্ষে। লোকসভা ভোটের পর পর্যালোচনা বৈঠকে অবশ্য সামাজিক প্রকল্প বজায় রেখে সরকারি কর্মীদের বেতন ও ডিএ নিয়ে ভাবনা শুরু করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পে কমিশনের রিপোর্ট পেশের পরই সাধ্যমতো বাড়ানো হবে বেতন ও ডিএ।

তিনি এদিন বৈঠকে সাফ করে দিয়েছেন, পে কমিশন রিপোর্ট দেওয়ার পরই বেতন ও ডিএ নিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করবে রাজ্য সরকার। তবে প্রকল্প বন্ধ করে বেতন বা ডিএ বাড়াতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী ইত্যাদি সামাজিক প্রকল্প চালু রেখেই সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়ানোর ভাবনা মমতার।
মমতা বলেন, আমরা জানি, সব কিছু পেয়েও অনেকে আমাদের ভোট দেননি। তবু আমরা এই প্রকল্প থেকে বিরত থাকব না, সবাই পাবে এই প্রকল্পগুলির সুবিধা। কেননা আমরা আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য থেকে সরে আসব না। বাংলার মানুষকে বঞ্চিত না করেই রাজ্য সরকার কর্মচারীদেরও বেতন ও পরিষেবা প্রদান করবেন মমতা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে একহাত নিয়ে বলেন, ২৭ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে এবার ভোটে। নিচুতলার পুলিশের একাংশ ঠিকঠাক কাজ করছে না। তারপর সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে বাংলার বদনাম করা হচ্ছে। মিথ্যা রটনা হচ্ছে। টাকা খাইয়ে দলবদল করানো হচ্ছে। এইসবের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিছপা হবে না। সবাই বিক্রি হয়ে যেতে পারে, তিনি বিক্রি হবেন না। সাপ জানান মমতা।
মমতা কেন্দ্র সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, নীতি আয়োগের কোনও ক্ষমতা নেই। ক্ষমতা ছিল প্ল্যানিং কমিশনের। যোজনা কমিশন হলে তিনি আবার বৈঠকে যাবেন। নীতি আয়োগের নামে রাজ্যে নাক গলাচ্ছে কেন্দ্র। তাই শুধু ভাষণ শোনার জন্য দিল্লি যাব না। আমরা পরিকল্পনা রূপায়ণ করছি সামাজিক উন্নয়নের। পরিকল্পনা রূপায়ণের নজরদারিতে আলাদা সেলও করছি। মানুষ যাতে সমস্তরকম প্রকল্পের সুবিধা পায় দেখবে প্রশাসন












Click it and Unblock the Notifications