অজয়ের হামরো পার্টির পাহাড়-জয়ে খুশি মমতা, ফের ভোটের বার্তা জিটিএ-পঞ্চায়েতে
অজয়ের হামরো পার্টির পাহাড়-জয়ে খুশি মমতা, ফের ভোটের বার্তা জিটিএ-পঞ্চায়েতে
তিন মাস আগে দল গড়েই দার্জিলিং পুরসভা দখল করে নিয়েছে হামরো পার্টি প্রধান অজয় এডওয়ার্ডস। রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার মধ্যে তাহেরপুর আর দার্জিলিং পুরসভাতেই সরাসরি তৃণমূল ভিন্ন অন্য দল জয়ী হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে দার্জিলিং নিয়ে তিনি দিলেন খুশির খবর।

দার্জিলিং পুরসভায় বিমল গুরুং, অনীত থাপা, বিনয় তামাং, মন ঘিসিংদের টপকে উত্থান হয়েছে 'নবাগত' অজয় এডওয়ার্ডসের। তিনি হঠাৎই পাহাড় রাজনীতির মুখ হয়ে উঠেছেন। এই পরিবর্তনে খুশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দার্জিলিংয়ে মোট পাঁচটি দল নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল। তাদের সবার সঙ্গে আমাদের সখ্যতা রয়েছে।
পাহাড়ে যে গণতন্ত্র রয়েছে, তার প্রমাণ এই পাঁচ দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণ। সেখানে কেউ জিতবে, কেউ হারবে- এটাই নিয়ম। নতুন দল গড়েই হামরো পার্টি সাফল্য পেয়েছে, তাদের অনেক শুভেচ্ছা। আমরাও পাহাড়ের ভোটে অংশ নিয়েছিলাম। আমরাও আমাদের আসন সংখ্যা বাড়াতে পেরেছি। এছাড়া হামরো পার্টি, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা, গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা, জিএনএলএফ ও বিজেপি অংশ নিয়েছিল।
মমতা বলেন, হামরো পার্টির জয়ে স্পষ্ট পাহাড়ে গণতন্ত্র অটুট। এবার শীঘ্রই জিডিএ নির্বাচন করে দেব। এছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনও অনেকদিন হয়নি। পাহাড়ের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা কেন্দ্রের অধীন। আমরা কেন্দ্রের কাছে বারবার আবেদন করেছি পঞ্চায়েত আইন সরলীকরণের জন্য। এবার পাহাড়ে পঞ্চায়েত ভোট করার জন্য তিনি ফরে সচেষ্ট হবে। তিনি আশাবাদী শীঘ্রই পাহাড়ে পঞ্চায়েত ভোট হবে।
এদিন পুরভোটের সার্বিক ফলাফল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই জয় মানুষের জয়। মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছেন, তাই রাজ্যজুড়ে বিপুল জয় পেয়েছে তৃণমূল। এই জয় আমাদের আরও দায়িত্ব বাড়িয়ে দিল। আমাদের আরও বেশি করে মানুষের কাজ করতে হবে। এই জয় যেন আমাদের আরও বেশি সহনশীল করে। দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধানের মাধ্যমে মানুষের সমস্যায় পাশে দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, বিরোধীরা কুৎসা করেছেন পুরসভা ভোটের হিংসা নিয়ে। পুরসভায় ১১২৮০ বুথের মধ্যে ভোট হয়েছে ১১ হাজারের সামান্য কিছু বেশি বুথে। তার মধ্যে মাত্র কয়েকটি বুথে গন্ডগোল হয়েছে। আর কোথাও তেমন কোনও গন্ডগোল হয়নি। কিছু মিডিয়া এমনভাবে প্রচার করেছে যাতে বাংলাজুড়ে সন্ত্রাসের ভোট হয়েছে বলে মনে হয়। এসবই মিথ্যা বাংলার অবাধ ভোট হয়েছে। মানুষ উৎসাহ নিয়ে ভোট দিয়েছে। এই জয়ে বাংলার মানুষের কাছে আমি ও আমরা সবাই কৃতজ্ঞ।












Click it and Unblock the Notifications