নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে রাজ্যের হাত থেকে! বিদ্যুৎবণ্টন সংশোধনী বিল নিয়ে মোদীকে চিঠি মমতার
ভ্যাকসিন সহ একাধিক ইস্যুতে বারবার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু একটা চিঠিরও উত্তর দেননি তিনি। যা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু চিঠি লেখা থামাবেন না বলে আগেই জানিয়েছিলেন
ভ্যাকসিন সহ একাধিক ইস্যুতে বারবার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু একটা চিঠিরও উত্তর দেননি তিনি। যা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু চিঠি লেখা থামাবেন না বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠি লিখে একাধিক ইস্যুতে সরব হবেন বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেই মতো আজ শনিবার ফের একবার কড়া ভাষাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিদ্যুৎবণ্টন সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করে এই চিঠি মোদীকে দিয়েছেন মমতা।
তাঁর দাবি, এই বিল জনস্বার্থবিরোধী। শুধু তাই নয়, এই বিল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে আঘাত বলেও দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, বিদ্যুৎবণ্টন সংশোধনী বিল পাশ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। এই অবস্থায় আলোচনা ছাড়াই এই বিল সামনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত মোদী সরকার নিয়েছে। আর এরপরেই গর্জে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর এরপরেই এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতে মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। চিঠিতে তাঁর দাবি, ২০২০ সালে এই বিল পেশের কথা হয়েছিল। সেই সময় সম্মিলিত আলোচনা চেয়েছিল রাজ্যগুলি। কিন্তু সেই কথাই কর্ণপাত না করে বিল পেশ করছে কেন্দ্র।
এই বিল আইনে পরিণত হলে রাজ্যের বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি আরও রুগ্ন হয়ে যাবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, কেন্দ্র এবং রাজ্য সবসময় একসাথে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে বিল পাশ হলে রাজ্যের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাগুলি চলে যাবে বলে আশঙ্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
কিন্তু মোদী সরকারের দাবি এই বিল সামনে আসলে দেশের যে কোনও প্রান্তে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাগুলি বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে। এতে ভালো হবে বলে অনুমান। উল্লেখ্য, গত ৪৮ ঘন্টা আগে মোদী সরকারকে ভ্যাকসিন নিয়ে পত্রাঘাত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুধু তাই নয়, বাংলার বন্যার কারণ নিয়েও ডিভিসিকে দায়ী করে মোদীকে কড়া ভাষায় চিঠি লেখেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। উল্লেখ্য, এর আগে ৫ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত মোট ৯টি চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রের খবর, একটাও চিঠির উত্তর আসেনি।
এমনকি প্রাপ্তি স্বীকারও করেনি প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়। কেন্দ্রের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার। তবে আগামিদিনে বিদ্যুৎবণ্টন সংশোধনী বিল নিয়ে দিল্লিতে আন্দোলনের পথে নামতে চলেছেন তৃণমূল সাংসদরা। ইতিমধ্যে পেগাসাস সহ একাধিক ইস্যুতে রাজ্যসভা এবং লোকসভাতে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদরা। এবার এই ইস্যুতেও সংসদে লোকসভাতে মোদী সরকারের চাপ বাড়াতে চলেছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications