যোগীর ‘গোলি চালা দো’ মন্তব্যের সমালোচনা, বিদ্বেষের রাজনীতির পাল্টা দিলেন মমতা
বিজেপির সমালোচনায় আরও সুর চড়ালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে একহাত নিলেন তিনি।
বিজেপির সমালোচনায় আরও সুর চড়ালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে একহাত নিলেন তিনি। যোগীর 'গোলি-বোলি' মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতের বিজেপির বিদ্বেষ রাজনীতিকে দায়ী করে বলেন, বিজেপি সদাই সাম্প্রদায়িক তাস খেলতে ব্যস্ত। উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নেই বলেই ওই ধরনের 'গোলি-বোলি' মন্তব্যে রাজনীতি করছে।

মমতা বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী বলছেন বোলি সে নেহি মানেগা তো গোলি চালা দো অর্থাৎ কেউ যদি কথা নো শোনে তাকে গুলি করে মারো। কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এমন কথা আগে কোনওদিন শুনিনি। কদিন আগে ঠিক এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও। বিজেপির এই বিদ্বেষের রাজনীতির যোগ্য জবাব দেবেন সাদারণ মানুষ।
মমতার অভিযোগ, বিজেপির এক বিপজ্জনক রাজনীতি করছে। দেশে বিদ্বেষের রাজনীতি ছড়িয়ে দিয়ে বিভাজনের খেলার খেলতে চাইছে। তাই একের পর এক নেতা গুলি মারার কথা বলে চলেছেন। বাংলা থেক দিল্লি কোনও ফারাক নেই। ফারাক নেই মুখ্যমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয়মন্ত্রীদের মধ্যেও। প্রধানমন্ত্রীর মুখেও বিভাজনের কথা।
যোগী আদিত্যনাথ বিজেপির হয়ে দিল্লির নির্বাচনী প্রচার মঞ্চ থেকে বলেন, আমরা কারও উৎসবে বাধা দিইনি। প্রত্যেকের উচিত আইন মেনে উৎসব পালন করা। যদি কেউ শিবভক্তদের উপর গুলি চালায়, তাহলে হানাহানি হবে। যদি কেউ কথা না শোনে তাহলের গুলির ভাষা বুঝতে হবে তাদের।
এর আগে অনুরাগ ঠাকুরও গুলি মারার নিদান দেন। তারপর পরপর জামিয়া মিলিয়া ও শাহিনবাগে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চলে। এরপরই বিজেপির এইসব প্রচারকদের নিন্দায় সরব হন মমতা। তিনি বলেন, বিজেপির কাছে কোনও কর্মসূচি নেই, কোনও উন্নয়ন পরিকল্পনা নেই, তাই এই ধরনের বিদ্বেশের রাজনীতি করতে ব্যস্ত তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications