মমতার ‘কন্যাশ্রী’কে কুর্নিশ বিশ্বের, দ্য হেগে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে উঠল জয়ের ট্রফি
৬৩টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্পকে পিছনে ফেলে বাংলাকে সেরার সম্মান এনে দিল কন্যাশ্রী। বাংলাকে জগৎ সেরার আসনে তুলে ধরার নেপথ্য কারিগর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বাংলা আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন দখল করল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের কন্যাশ্রী প্রকল্প রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিচারে প্রথম হল বিশ্বের দরবারে। ৬৩টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্পকে পিছনে ফেলে বাংলাকে সেরার সম্মান এনে দিল কন্যাশ্রী। আর বাংলাকে জগৎ সেরার আসনে তুলে ধরার নেপথ্য কারিগর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বের দরবারে বাজিমাত করল বাংলা। দেশকেও উচ্চাসনে তুলে ধরলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
কিন্তু কী করে সম্ভব হল বাংলাকে বিশ্বের দরবারে সবার উপরে তুলে ধরা? রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ফাঁস করলেন তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি। তিনি বলেন, রাজ্যে কন্যাশ্রী প্রকল্পের সফল রূপায়ণে মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার হার বেড়েছে বহুগুণ। নারী শিক্ষায় প্রভূত উৎসাহ এসেছে। কন্যাশ্রী প্রকল্পের সবথেকে বড় সাফল্য হল নাবালিকা বিয়ে রোখা।

তিনি বলেন, এই প্রকল্প চালু হওয়ার ফলে স্কুলছুটের সংখ্যাও কমেছে। প্রায় ৪০ লক্ষ স্কুলপড়ুয়াকে স্কলারশিপের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পুস্তিকা আকারে ভিন দেশের প্রতিনিধিদের হাতে কন্যাশ্রীর যাবতীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রতিনিধিদের মুখে কন্যাশ্রী প্রকল্পের কথা শুনে পুস্তিকা সংগ্রহে ভিন দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ লক্ষ্যণীয় হয়েছিল আগের দিনই। কন্যাশ্রী যে বাংলাকে সেরার মর্যাদা দিতে পারে, তার আভাস মিলেছিল তখনই।
সেই আভাসই সত্যি প্রতিপন্ন হল এদিন। বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডের দ্য হেগের মঞ্চে সেরা প্রকল্প হিসেবে ঘোষিত হল কন্যাশ্রীর নাম। মঞ্চে ডাকা হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তারপরই ইতিহাস। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে সম্মানিত করা হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। সেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে মমতা বললেন, 'কথা নয়, কাজ করাটাই প্রধান দায়িত্ব হিসেবে মনে করেছি। সবসময় বিশ্বাস করেছি, মানুষ আর সমাজের উন্নয়নের স্বার্থে সরকার। উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়েই জেলায় জেলায় ছুটে বৈঠক করেছি। মানুষের সমস্যার সমাধানকেই সবথেকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। তেমনই একটি প্রয়াস এই কন্যাশ্রী।












Click it and Unblock the Notifications