বিহার থেকে শিক্ষা নিলেন মমতা, ২৭ শতাংশ ভোটকে পাখির চোখ করে ২ লক্ষ বাইক দেওয়ার ঘোষণা
বিহার থেকে শিক্ষা নিয়ে নির্বাচনের আগে বাংলার বেকারত্ব ইস্যুর সমাধানের পথে হাঁটলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা আবহে সারা দেশেই বেকারত্বের হার বেড়েছে। এই পরিস্থিতি বিহারে বেকারত্বকে ইস্যু বানিয়ে নীতীশ-মোদীকে কড়া টক্কর দিয়েছিলেন তেজস্বী যাদব। এবার তেজস্বীর সেই বই থেকেই শিক্ষা নিয়ে বেকারদের মন জয়ে উদ্যোগ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

'কর্মসাথী'
বর্তমান করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতিতে মহা সংকটে মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীরা। এটা উপলব্ধি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে তাই 'কর্মসাথী' নামে একটি প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

কর্মসাথী প্রকল্পের অধীনে ২ লক্ষ বাইক দেওয়া হবে
জানা গিয়েছে রাজ্যের বেকারদের জন্য শুরু হওয়া কর্মসাথী প্রকল্পের অধীনে ২ লক্ষ বাইক দেওয়া হবে। মমতার সরকারের দাবি এর ফলে রাজ্যের প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্প সরাসরি ২৭ শতাংশ ভোটারদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২৭ শতাংশ ভোটারকে পাখির চোখ
মূলত ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে থাকা ভোটারদের সংখ্যা বর্তমানে রাজ্যের মোট ভোটারের ২৭ শতাংশ। এই যুব সমাজকে মমতা নিজের দিরে টানতে চাইছেন। ধর্মীয় মেরুকরণের পথে না হেঁটে বিহার মডেলে বেকারত্ব এবং স্থানীয় ইস্যুকে হাতিয়ার করেই ভোটারদের মন জয় করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ
এর আগে সেপ্টম্বরে কর্মসাথী প্রকল্পের জন্য একটি গেজেট নোটিভিকেশন জারি করে জানানো হয়েছিল, ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক যে কেউ নিজের কোম্পানি স্থাপন করার জন্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে সর্বাধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ যে কেউ সরকারের কাছ থেকে ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

অনিয়ম যাতে না হয়, তার জন্য ব্যবস্থা
কর্মসাথী প্রকল্পের অধীনে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণরা ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। যাতে অনিয়ম না হয় তার জন্য আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর জন্য জেলা ও ব্লক স্তরে তৈরি করে দেওয়া হয়েছে কমিটি। এই কমিটি খতিয়ে দেখে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। আর এই ঋণ নিয়ে ছোট ছোট ব্যবসা তৈরি করে স্বাবলম্বী হতে পারবে বেকার যুবক-যুবতীরা।












Click it and Unblock the Notifications