প্রমাণ করতে পারলে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেব! বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
জাতীয় দলের মর্যাদা যেতেই অমিত শাহকে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একবার নয়, চারবার ফোন করেছিলেন বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আর এহেন দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। আর সেই বিষয়ে এবার মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু তাই নয়, নাম না করে রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন শুভেন্দু অধিকারীকেও। এমনকি একেবারে ভুঁইফোড় নেতা বলেও আক্রমণ তাঁকে।

মমতা বলেন, মানুষের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের নামে ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এর পিছনে বিজেপি আছে বলেও দাবি। একেবারে পরিকল্পনামাফিক ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি প্রশাসনিক প্রধানের। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, সিঙ্গুরে একজন বলেছেন জাতীয় তকমা চলে যাওয়ার পর আমি নাকি চারবার অমিত শাহকে ফোন করেছি।
যা সম্পূর্ন মিথ্যা বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এই বিষয়টি প্রমান করতে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দেন তিনি। বলেন, প্রমাণ করুন। যদি প্রমাণ করতে পারেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন প্রশাসনিক প্রধান। আর তা প্রমাণ করতে না পারলে জনগণের কাছে নাকখড় দিতে হবে বলে দাবি তাঁর।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, আমি শুধুমাত্র অমিত শাহের ইস্তফা দাবি করেছি এই পর্যন্ত। তবে আমাকে এত সহজ ভাবার কোনও কারণে। আমি দীর্ঘদিন রাজনীতি করছি বলেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, মঙ্গলবার শুভেন্দু বলেন, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অমিত শাহকে গুণ্ডা বলেছেন। আর তাঁকেই চারবার ফোন করে পা ধরেছেন বলে দাবি বিজেপি নেতার। শুধু তাই নয়, সভামঞ্চ থেকেই তাঁর দাবি, ফোন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী ২০২৪ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় তকমাটা রাখার কথা বলেন। তাতে শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাখা যাবে না, আপনি তো ভোট পাননি।
আজ বুধবার নবান্ন থেকে একাধিক বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানান। পাশাপাশি জাতীয় তকমা নিয়ে মমতা বলেন, তৃণমূল সর্বভারতীয় দল আছে থাকবে। নির্বাচন কমিশনকেও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।

এমনকি হাতে আছে বলে যা খুশি করা হচ্ছে বলেও দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। এই বিষয় নিয়ম ব্যাখ্যা করে মমতা বলেন, ১০ বছর পরপর রিভিউ করা হয়। সেই মতো ২০১৬ সালে রিভিউ করা হয়েছিল। সেই মতো আগামই ২০২৬ সাল পর্যন্ত আমাদের সময় ছিল। কিন্তু হঠাত করেই ২০১৪ সাল থেকে ধরা হচ্ছে বলে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর এরপরেই তাঁর স্পষ্ট বার্তা, দলের নাম সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ছিল, থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications